বিজ্ঞাপন

‘কৃষককে ঠকিয়ে মুনাফা লুটছে পুঁজিপতিরা’

‘কৃষককে ঠকিয়ে মুনাফা লুটছে পুঁজিপতিরা’

কৃষককে ঠকিয়ে পুঁজিপতিরা মুনাফা লুটছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠন। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় সংগঠনের নেতারা এ অভিযোগ করেন।

সার, বিদ্যুতের চরম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি রোধ, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, ধলতা প্রথা বাতিল, আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি বাতিলসহ কৃষক ও ক্ষেতমজুরদের বিভিন্ন দাবি আদায়ে আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের কর্মক্ষম মানুষের বেশিরভাগ এখনো কৃষিকাজে যুক্ত। কৃষক ক্ষেতমজুরদের পরিশ্রমে দেশের মানুষের খাদ্যের যোগান হয়। অথচ কৃষক ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। সার, বীজ, কীটনাশকসহ সব কৃষি উপকরণের দাম বাড়ছে। বর্তমানে সার ও বিদ্যুতের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গ্রামীণ এলাকায় লোডশেডিংয়ের ফলে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগির খামারসহ সামগ্রিক কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে। সারের কালোবাজারির ফলে কৃত্রিম মূল্য বৃদ্ধি কৃষককে বিপাকে ফেলেছে। এভাবে কৃষককে ঠকিয়ে মুনাফা লুটছে পুঁজিপতিরা।

বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আহসানুল আরেফিন তিতুর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাসুদ রানা, কৃষক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস, কেন্দ্রীয় সদস্য আহসানুল হাবীব সাঈদ, আনোয়ার হোসেন বাবলু, গোলাম সাদেক লেবু, একরামুল হক, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারীও জয়পুরহাট থেকে আগত কৃষক প্রতিনিধিরা কৃষকের সংকট, করণীয় নিয়ে মতামত তুলে ধরেন। এ সময় কৃষকদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও সংগঠন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সংগঠনের নেতারা।  

প্রতিনিধি সভা শেষে পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ হতে কৃষক ও  ক্ষেতমজুরদের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

ফরহাদুজ্জামান ফারুক/এএমকে