বিজ্ঞাপন

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এর মধ্যে ৬ কোটি টাকা ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শুরু হবে।

রোববার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে এই যে শোলাকিয়া, এই যে ঈদগাহ মাঠ, আপনারা তো এই এলাকার মানুষ, আপনারা জানেন আগামী ঈদে এখানে ২০০তম জামাত হবে। যেহেতু লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতি ঈদে এখানে নামাজ পড়তে আসে, এই মাঠটাকে উন্নয়নের জন্য আমরা ১৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এরই মধ্যে আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে ৬ কোটি টাকা সরকার থেকে পৌঁছে দিয়েছি। দ্রুতই কাজ শুরু হবে। 

তিনি বলেন, এই মাঠটিকে সুন্দর করা হবে, যাতে মুসল্লিরা সুন্দরভাবে নামাজ পড়তে পারেন, যাতে এলাকার ছেলেমেয়েরা মাঠের একাংশে খেলাধুলা করতে পারে। সুন্দর করে গেট হতে পারে, এখানে যে পুকুরটি আছে, সেই পুকুরে মাছ চাষের জন্যও ব্যবস্থা করা হবে। এই সবকিছু আমরা ইনশাআল্লাহ করবো। কাজেই আপনারা এই এলাকার মানুষ, এই মাঠটি একটি ঐতিহ্যবাহী মাঠ। এই এলাকার মানুষ আপনাদের সকলকে অনুরোধ করবো, এই মাঠের একটি লম্বা ইতিহাস আছে, যাতে এই মাঠটি সুন্দর থাকে, এখানে যে গাছ লাগানো হবে সেগুলো যাতে সুন্দর থাকে, দয়া করে সেগুলোর যত্ন আপনারা সকলে মিলে নেবেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিনি একবার যখন ওমরা করতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি আরাফাতের মাঠে গিয়েছিলেন। আরাফাতের মাঠ তখন ধু-ধু মরুভূমি ছিল। সেখানে তিনি তখন সৌদি বাদশাহকে বললেন, তোমরা গাছ লাগাও না কেন? সৌদি বাদশাহ তখন তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমরা এখানে মরুভূমিতে কি গাছ লাগাবো? শহীদ জিয়া দেশে ফিরে এসে এক লাখ নিম গাছের চারা পাঠিয়েছিলেন। সেই এক লাখ চারা আরও অনেক বেশি চারায় রূপান্তরিত হয়ে সারা আরাফাতের মাঠ এখন নিম গাছের চারায় ভরা। সৌদি আরবের লোকজন সেই নিম গাছগুলোকে ‘জিয়া ট্রি’ বলে ডাকে। 

তিনি বলেন, আমরা চাই- এই মাঠেও আমরা উন্নয়ন করবো। এখানেও আমরা আরাফাতের মাঠের মতো অনেকগুলো নিম গাছ রোপণ করবো। এই নিম গাছগুলোর বাতাসে মুসল্লিরা যখন আসবেন, বাচ্চারা যখন খেলতে আসবে বা মুরুব্বিরা সকালে-বিকেলে হাঁটতে আসবেন, তখন যেন সবাই শান্তি পান, আরাম পান, সেজন্য আমরা এভাবে জিনিসটাকে গড়ে তুলবো। 

আরএআর