কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদ ও সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা পোস্টকে দুটি মামলার রুজুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের ঘটনায় সংসদ সদস্য আমির হামজার ব্যক্তিগত সহকারী মোমিন বিশ্বাস রোববার বেলা ১১টার দিকে এবং গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রুমন হোসেন একই দিন দুপুরে কুষ্টিয়া মডেল থানায় পৃথক এজাহার জমা দেন।
পুলিশ জানায়, মোমিন বিশ্বাসের করা মামলাটি সোমবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটে রুজু হয়। এর প্রায় চার ঘণ্টা পর সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে রুমন হোসেনের করা মামলাটি রুজু করা হয়।
মোমিন বিশ্বাসের মামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে, রুমন হোসেনের মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, এঘটনায় উভয়পক্ষের দুটি মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, গণঅধিকার পরিষদকে নিয়ে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শনিবার কুষ্টিয়ার ছয় রাস্তার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছিল গণঅধিকার পরিষদ। এ সময় আমির হামজার গাড়ি সেখানে পৌঁছালে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন উভয়পক্ষের নেতাকর্মীরা। এ সময় ইটের আঘাতে সংসদ সদস্য আমির হামজার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়।
অন্যদিকে, আমির হামজার সমর্থকদের বিরুদ্ধে গণঅধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেকের ছয় রাস্তা মোড়ের ব্রিজের নিচে থাকা ব্যক্তিগত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, মালামাল ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা।
রবিউল আলম ইভান/এমএমবি
