বিজ্ঞাপন

জিএসসি ইউকের প্রথম ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা, অংশ নিল ৮২ দল

জিএসসি ইউকের প্রথম ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা, অংশ নিল ৮২ দল

গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল (জিএসসি) ইউকের উদ্যোগে যুক্তরাজ্যে প্রথমবারের মতো ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্মিংহামের ডগ এলিস স্পোর্টস সেন্টারে সম্প্রতি দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

জিএসসির কেন্দ্রীয় স্পোর্টস সেক্রেটারি সৈয়দ আখলাকুল আম্বিয়া রাবেলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর ও অঞ্চল থেকে ৮২টি দল অংশ নেয়। এতে ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের পাশাপাশি জিএসসির নেতৃবৃন্দ, আঞ্চলিক প্রতিনিধিসহ কমিউনিটির বিপুলসংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

জিএসসির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনকে সংগঠনটির কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন আয়োজকরা। প্রতিযোগিতার শুরুতে জিএসসির চেয়ারপার্সন সালেহ আহমেদ অতিথি ও অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের স্বাগত জানান।

বার্মিংহামের বাদশাহ প্যালেসে প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার আইয়ুব খান এমপি। অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর আব্দুল মায়েন চৌধুরী সুমন, কাউন্সিলর তাজ উদ্দিন ও কাউন্সিলর মমতাজ হোসেনসহ জিএসসির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জিএসসির সাবেক চেয়ারপার্সন ব্যারিস্টার আতাউর রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক খসরু খান প্রতিযোগিতার আয়োজনের জন্য কেন্দ্রীয় স্পোর্টস সেক্রেটারি সৈয়দ আখলাকুল আম্বিয়া রাবেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রতিযোগিতায় ডি ক্যাটাগরিতে বার্মিংহামের বাবরু ও কিরণ জুটি চ্যাম্পিয়ন এবং লিভারপুলের শাহাব উদ্দিন ও রহমত আলী জুটি রানার্সআপ হয়। এ বিভাগের সেমিফাইনালে ওঠে কিডারমিনস্টারের রাসেল ও সৈয়দ এবং বার্মিংহামের তাজ ও অনিক জুটি।

লোয়ার ডি ক্যাটাগরিতে কার্ডিফের শুহেদ ও শুয়াইব জুটি চ্যাম্পিয়ন এবং অক্সফোর্ড ও বার্মিংহামের মুহন ও আঙ্গুর জুটি রানার্সআপ হয়। এ বিভাগে সেমিফাইনালিস্ট ছিল ক্রয়ডনের মাজ ও হাবিব এবং ওল্ডহ্যামের মোস্তাক ও কবির জুটি।

আয়োজকরা জানান, জিএসসির প্রথম ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। খেলাধুলার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, বন্ধুত্ব ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বৃহৎ পরিসরে ক্রীড়া ও কমিউনিটি কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এসএইচএ