‘নওগাঁয় মাদরাসার ১২ শিক্ষার্থী এইচআইভি পজিটিভ’- নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছি) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুলের এমন দাবি ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছেন নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল দাবি করেন- তার জেলায় ১২ জন এইচআইভি পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের সবাই মাদরাসার শিক্ষার্থী এবং তারা হোস্টেলে থাকেন।
সংসদ সদস্যের এমন বক্তব্যে জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয় আলোচনা-সমালোচনা। তবে তার এমন তথ্য সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তিনি এ কথা জানান।
সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, নওগাঁয় ১২ মাদরাসা শিক্ষার্থীর এইচআইভি পজিটিভ দাবি ভিত্তিহীন। জেলায় এইচআইভি রোগীর সংখ্যা মাত্র তিনজন। তারা এখন সিভিল সার্জন অফিসের তত্ত্বাবধানে আছে এবং তারা ভালো আছে । ২০২৫ সালে তিন জন রোগী জেলায় এইচআইভি পজিটিভ হয়। সেই তিনজনই রোগী। ২০২৬ সালে কেউ নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়নি।
তিনি জানান, গত জুলাই মাসে নওগাঁয় ১২ জন ব্যাক্তি রক্ত পরীক্ষা করতে এসে এইচআইভি টেস্ট করেছেন। তবে তাদের কারো মধ্যে এইচআইভি পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ-৩ আসনের সদস্য সদস্য ফজলে হুদা বাবুল মুঠোফোনে বলেন, ১২ জনের মধ্যে তিনজন এইচআইভি পজেটিভ হয়েছে। এরপর তিনি কল কেটে দেন।
বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কানিস ফারহানা জানান, গত জুলাই মাসে উপজেলার ১২ জন ব্যক্তি রক্ত পরীক্ষার পাশাপাশি এইচআইভি পরীক্ষা করে। তবে তাদের সবার এইচআইভি রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া গেছে।
মনিরুল ইসলাম শামীম/আরএআর
