বিজ্ঞাপন

খেলাধুলার মাধ্যমেই মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

খেলাধুলার মাধ্যমেই মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলার মাধ্যমেই আমাদের সন্তানদের সুস্থভাবে গড়ে তুলতে হবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার এখন চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রথম ৮টি ইভেন্টের ওপর বই লেখা হয়েছে। সেই বইয়ের মাধ্যমে থার্ড থেকে ফোরথ ক্লাস পর্যন্ত ৪০% নম্বরের লিখিত ও মাঠভিত্তিক পরীক্ষা থাকবে। আমরা চাই ডিভাইসের হাত থেকে আমাদের সন্তানরা দূরে থাকুক।

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলা চলাকালে খেলার বিরতিতে আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি।

আমিনুল হক বলেন, সর্বোপরি আমরা মাদকমুক্ত একটি সমাজ গড়তে চাই। নীতি, নৈতিকতা এবং সামাজিক মূল্যবোধ এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার স্টেডিয়ামকে আধুনিক করা হবে। ইনডোর স্টেডিয়াম ও জিমসহ সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

মুন্সীগঞ্জের জরাজীর্ণ সুইমিং পুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেই সুইমিং পুলটি এখন পর্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এগুলোকে দ্রুতই আধুনিকায়ন করে এই সুইমিং পুলটি তৈরি করে দেবো। যাতে আমাদের এই মুন্সীগঞ্জের যারা ছোট ছোট কিশোর-কিশোরী রয়েছে, তারা যাতে সাঁতার শিখে। তারা যাতে জাতীয় পর্যায়ে একজন সুইমার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, আমরা ভবিষ্যতে কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি দেখতে চাই না। আমরা চাই দল-মত নির্বিশেষে আমরা সবাই একমত হয়ে দেশের জন্য, দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে, আমরা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই। তিনি সকলকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে একসাথে বলার আহ্বান জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম ইরাদত মানু, মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মেনহাজুল আবেদিনসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও মুন্সীগঞ্জ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। 

ব.ম শামীম/এসএইচএ