বিজ্ঞাপন

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৫ জেলে, একজনের মরদেহ উদ্ধার

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৫ জেলে, একজনের মরদেহ উদ্ধার

বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ বরগুনার ৫ জেলের মধ্যে সাইকুল মীর নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার গহরপুর নামক এলাকার বাসিন্দা। জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পাঠানো ট্রলারের উদ্ধারকারী দল ওই জেলের মরদেহ উদ্ধার করেন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উদ্ধারকারী দল সমুদ্র থেকে পাথরঘাটার বাদুরতলা নামক এলাকায় নিহত ওই জেলের মরদেহ নিয়ে আসেন। ডুবে যাওয়া এফবি বরকত ট্রলারে মালিক মো. আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে পাথরঘাটা থেকে গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) ১৩ জন জেলে এফবি বরকত নামে একটি ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যান। পরবর্তীতে সমুদ্রের মধ্যে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ট্রলারটি নোঙর করেন জেলেরা। এরপর গত (২৪ আগস্ট) দুপুরে দিকে সাগরে আবহাওয়া খারাপ থাকায় উত্তাল ঢেউয়ে হঠাৎ ট্রলারটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। পরে ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের মধ্যে ৮ জেলে সাঁতারে নিকটবর্তী অন্য আরেকটি ট্রলারে উঠতে পারলেও বাকি ৫ জন জেলে নিখোঁজ হন।

পরবর্তীতে নিখোঁজ জেলে ও ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করতে জেলা মৎস্যজীবী ও ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দুটি ট্রলার সাগরে পাঠানো হয়। পরে গতকাল বিকেলে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির স্থান থেকে সাইকুল মীর নামে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার করেন তারা। পরে বুধবার সকালে মরদেহটি পাথরঘাটায় নিয়ে আসা হয়।

সমুদ্রে ট্রলার নিয়ে উদ্ধারকারী দলের সদস্য শাকিল বলেন, বঙ্গোপসাগরে যে স্থানে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে সেখানে গতকাল বিকেলে উদ্ধারকারী একটি ট্রলার পৌঁছায়। এ সময় নিখোঁজ জেলে সাইকুলের মরদেহ ভেসে ওঠলে তা উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ডুবে যাওয়া ট্রলারটির মধ্যে তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি। ওই ট্রলারের মধ্যে এখনও নিখোঁজ কোনো জেলের মরদেহ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ডুবে যাওয়া এফবি বরকত ট্রলারের দুজন মালিকের মধ্যে মো. আশরাফ বলেন, গত সোমবার ট্রলার ডুবির পরপর আমাদের আরেকজন ট্রলার মালিক বাদল মোল্লা অন্য আরেকটি ট্রলার নিয়ে সাগের উদ্ধার কাজে যান। এরপর গতকাল সাইকুল মীরের মরদেহটি পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আরও তল্লাশি চালালেও আর কাউকে পাওয়া যায়নি। এমনকি ডুবে যাওয়া ট্রলারটি পেলেও তা উদ্ধার করা যায়নি। পরে উদ্ধার অভিযানে যাওয় একটি ট্রলারে মরদেহটি পাঠানো হয়ে এবং অপর আরেকটি ট্রলার এখনো উদ্ধার কাজের জন্য সাগরে আছে। 

আব্দুল আলীম/আরকে

বিজ্ঞাপন