বিজ্ঞাপন

এক ট্রলারে ৮০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ২০ লাখ টাকায়

এক ট্রলারে ৮০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ২০ লাখ টাকায়

দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে ‘এফবি আবদুল্লাহ’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারেই ধরা পড়েছে ৮০ মণ ইলিশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বাদশা মাঝির নেতৃত্বে ১৮ জন জেলেকে নিয়ে চার দিন আগে গভীর সাগরে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এফবি আবদুল্লাহ নামের ট্রলারটি। দুই দিন সাগরে মাছ ধরার পর মঙ্গলবার পায়রা বন্দরের শেষ বয়ার কাছাকাছি এলাকায় জেলেদের জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে। পরে বুধবার বিকেলে মাছগুলো আলীপুর মৎস্য বন্দরের আড়ত ‘সিফাত ফিশ’-এ নিয়ে আসা হয়। সেখানে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

ট্রলারটির মাঝি বাদশা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সাগরে বড় মৌসুমের মতো ইলিশের দেখা পাচ্ছিলাম না। হঠাৎ করে গতকাল প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মণ ইলিশ ধরা পড়ে। তবে মাছগুলো তুলনামূলক ছোট। এসব মাছ ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। চার দিন আগে ১৮ জন জেলে নিয়ে সাগরে গিয়েছিলাম। দুই দিন মাছ ধরার পর আজ (বুধবার) মাছগুলো আলীপুরে এনে বিক্রি করেছি।’

কলাপাড়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাগরে বেশ কিছুদিন ইলিশের খরা চলছিল। বর্তমানে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। বৃষ্টি হলে আরও বেশি ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মৎস্য বন্দরের ইলিশসংশ্লিষ্ট সবাই লাভবান হবেন।’

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য অবতরণকেন্দ্র হলো আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দর। এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ বেচাকেনা হয়। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ায় স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

এসএম আলমাস/বিআরইউ

বিজ্ঞাপন