বরগুনার তালতলী উপজেলায় বাঁশ কেনার কথা বলে ঘরে ঢুকে ৬০ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা মো. বশির উদ্দিনের (৩২) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বশিরকে ধাওয়া করে আটকের পর গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে বশির উদ্দিনকে আসামি করে তালতলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নলবুনিয়া নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অভিযুক্ত বশির তালতলীর সোনাকাটা ইউনিয়নের মরানিদ্রা নামক এলাকার নয়া মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বশির উদ্দিন ভুক্তভোগী ওই নারীর বাড়িতে এসে বাঁশ কেনার কথা বলেন। এ সময় বিক্রি করার মতো বাঁশ আছে জানালে বশির তার সঙ্গে কথা বলে পার্শ্ববর্তী আরেক বাড়িতে যান। পরবর্তীতে আবারও বশির ওই নারীর বাড়িতে এসে ঘরের বারান্দায় বসেন। এ সময় বাঁশ কাটতে ওই নারীর কাছে একটি দা চান তিনি। পরে ভুক্তভোগী ওই নারী তাকে একটি দা বের করে দিলে তা দিয়ে বাঁশ কাটা যাবে না জানিয়ে ঘরে থাকা ভুক্তভোগী নারীর নাতিকে পাশের বাড়ি থেকে আরেকটি দা আনতে পাঠান বশির।
এ সুযোগে বাড়িতে আর কেউ না থাকায় ওই নারীকে একা পেয়ে ঝাপটে ধরে ধর্ষণ করেন বশির। এ সময় ভুক্তভোগী ওই নারীর ডাক চিৎকারে প্রতিবেশী আরেক নারী ছুটে এলে বশির দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা ধাওয়া দিয়ে বশিরকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত বশিরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মো. বশির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী থানায় একটি লিখত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মো. আব্দুল আলীম/এসএইচএ
