বিজ্ঞাপন

আঘাত দিলে পাল্টা আঘাত আসবে : নাহিদ ইসলাম

আঘাত দিলে পাল্টা আঘাত আসবে : নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় যদি ১১ দলীয় কোনো নেতাকর্মীকে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা নির্যাতন করেন, আমরা চুপ করে বসে থাকবো না। আমরা ছয় মাস সময় দিয়েছি। আর একদিনও যদি ১১ দলের কোনো নেতাকর্মীর গায়ে হাত তোলা হয়, তাহলে সর্বাত্মকভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে আপনারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। আঘাত দিলে পাল্টা আঘাত আসবে। তারেক রহমানকে সেই আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। 

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ চলাকালে ফেনীর মহিপালে আয়োজিত পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারি দলের এমপি-মন্ত্রী এবং তাদের পরিবার পরিজন, সন্তানেরা দুর্নীতি আর সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে এই জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে। এজন্য দেশে এখন ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। সংসদে যেমন আপনারা স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছেন, রাজপথেও তেমনি বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের দমন-পীড়ন এবং নির্যাতন করা হচ্ছে। এজন্য রাজপথের এই লংমার্চ কর্মসূচি ছাড়া আমাদের হাতে আর কোনো বিকল্প ছিল না। 

লংমার্চে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অভূতপূর্ব সাড়া আমরা সবসময় মনে রাখবো। ফেনীর পথসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। এর থেকে সরকারের বুঝে নেওয়া উচিত, জনগণের কি পরিমাণ অভূতপূর্ব সাড়া রয়েছে। জনগণ তার অধিকার থেকে পদে পদে বঞ্চিত হচ্ছে। 

নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে আমরা যেখানে আশা করেছিলাম দেশে কোনো দুর্নীতি থাকবে না, চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস থাকবে না, দেশে সুশাসনসহ প্রত্যেকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে। কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটি প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করেনি। দেশ উল্টো পথে যাত্রা শুরু করেছে। 

ফেনী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

তারেক চৌধুরী/আরএআর