নীলফামারী সদরে মমিনুর রহমান (৬০) নামে এক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন৷
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান। ভুক্তভোগী মমিনুর রহমান সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের জামতলা এলাকার বাসিন্দা।
অভিযুক্তরা হলেন-পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি জিকরুল ইসলামের ছেলে সুমন রানা (৩১), সুমন রানার স্ত্রী মনুফা বেগম (২৮), মৃত জাল মাহমুদের ছেলে মো. জাহিদুল হক (৫৫) ও তার ছেলে নিপ্পন হক (২৬)।
থানার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট দুপুরে অভিযুক্তরা তাদের বাড়ির টয়লেটের ঢাকনা খুলে রাখেন। এতে বাতাসে মমিমুন রহমানের বাড়িতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে মমিনুর রহমান সুমন রানাকে ঢাকনা বন্ধ করতে বললে দুজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সুমন রানাসহ বাকি অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মমিনুর রহমানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন৷ পরে মমিনুর রহমানের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
মমিনুর রহমানের ছেলে মিলন মিয়া বলেন, আমার বাবা প্রতিবন্ধী, তারা টয়লেটের ঢাকনা খুলে দিলে আমরা দুর্গন্ধে থাকতে পারি না। আমার বাবা সেটি বন্ধ করতে বলায় তারা আমার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। বাবা কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে বিছানায় আছেন। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো জিল্লুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ ঘটনায় এজাহার পেয়েছি। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
শাহজাহান ইসলাম লেলিন/এএমকে
