বিজ্ঞাপন

গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড

গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, আসামির ৭ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় আলমগীর হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আলমগীর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি রাতে ওই নারীকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি।

এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে ওই নারী ছুরি দিয়ে আলমগীর হোসেনের যৌনাঙ্গে আঘাত করেন। এতে সেটি আংশিকভাবে কেটে যায়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তনকৃত অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনার ছয় দিন পর, ৭ জানুয়ারি ২০২০, ওই নারী বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি বলেন, ধর্ষণচেষ্টার মামলায় আলমগীর হোসেনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

সাদী মো. হিমেল/এসএইচএ