বিজ্ঞাপন

সিকৃবিতে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার পদত্যাগ

সিকৃবিতে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার পদত্যাগ

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রশাসনিক দায়িত্ব ছাড়লেন ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তা।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে একসঙ্গে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা। এর আগে প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে উপাচার্যের অপসারণ দাবি করেন পদত্যাগকারীরা।

পদত্যাগকারীদের মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্ট। তারা অভিযোগ করেন, উপাচার্যের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক পরিবেশ অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। ন্যূনতম যোগ্যতা না থাকা ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া, আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষক-কর্মকর্তাদের যখন-তখন শোকজ ও হয়রানি করার অভিযোগও তোলেন তারা।

মানববন্ধনে শিক্ষকরা বলেন, বর্তমান প্রশাসনের নানা অনিয়মের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে উপাচার্যকে দ্রুত অপসারণের দাবি জানান তারা।

পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কাওছার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।

পদত্যাগকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের সদস্য বলে জানা গেছে। তবে তাদের অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম।

অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি পক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এসব ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই যোগ্যতাসম্পন্ন। কোনো নিয়োগে অনিয়ম হয়নি, কোনো ধরনের দুর্নীতিও করা হয়নি।

মাসুদ আহমদ রনি/আরএআর