পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাজবাড়ীর জৌকুড়া (ধাওয়াপাড়া) ও পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ফেরি চলাচল। এতে এ নৌরুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিকল্প পথে চলাচল করতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত সময় ও খরচ গুনতে হচ্ছে। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকা বা স্পিডবোটে নদী পার হচ্ছেন।
জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা থেকে পদ্মা নদীতে পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ধাওয়াপাড়া ঘাটে থাকা দুটি ফেরির মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। অপর ফেরিটিও তীব্র স্রোতের কারণে যানবাহন নিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারছে না।
স্থানীয় দোকানদার আজমল মন্ডল বলেন, এই ঘাটের একটি ফেরি দুই থেকে তিন মাস আগেই নষ্ট হয়ে বন্ধ হয়ে আছে। যে ফেরিটি চলাচল করত, সেটিও তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এখানে ভালো কোনো ফেরি নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা লতিফ শেখ বলেন, এ ঘাটে মাঝে মধ্যেই ফেরি চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। ফেরিগুলো অনেক পুরোনো ও নিম্নমানের। এখন পদ্মায় তীব্র স্রোত থাকায় তিন দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটে আসা অনেক যানবাহন ফিরে যাচ্ছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বিকল্প পথে গন্তব্যে যাচ্ছেন। এতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় দুটোই বাড়ছে।
বিআইডব্লিউটিসির ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম বলেন, তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা ফেরির চাহিদার কথা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বিষয়টি তারা দেখছে।
স্থানীয়রা জানান, দ্রুত ফেরি চলাচল স্বাভাবিক না হলে এ নৌরুটে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।
মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/আরকে
