রাজশাহীতে চেকপোস্টে পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) ধাক্কা দিয়ে পালিয়েছে একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল। টিভিএস ফোরভি মডেলের লাল রঙের ওই মোটরসাইকেলে চালকসহ আরও একজন আরোহী ছিলেন।
গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী নগরীর চৌদ্দপাই বিহাস মোড়ের রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনার পরে আহত এসআই কিবিরয়া আহমেদকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে একদিন চিকিৎসা শেষে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছাড়পত্র পান। তিনি মতিহার থানায় কর্মরত। এই ঘটনায় মতিহার থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার পরে পুলিশ ওই মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীকে খুঁজছে। তবে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে তাদের স্পষ্ট চেনা যাচ্ছে না।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের সদস্যরা বিহাস মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করছেন। এ সময়য় কাটাখালীর দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে সামনে গিয়ে থামার সংকেত দেন একজন পুলিশ সদস্য। মোটরসাইকেলের চালক ও একজন আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল না। মোটরসাইকেলের চালক ওই পুলিশ সদস্যকে পাশ কাটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে আরও তিন পুলিশ সদস্য দ্রুত গতির ওই মোটরসাইকেলকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় একজন পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে যান। তখন আরও দুইজন পুলিশ সদস্য তাকে টেনে তুলেন। এ সময় মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা। পরে অপর সিটিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে তারা চৌদ্দপাই হয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাশ দিয়ে নগরীর বুধপাড়ার দিকে চলে যায়।
এ বিষয়ে মতিহার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম কবির বলেন, এ ঘটনায় এএসআই সুরুজ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আমরা গ্রেপ্তার করতে পারব।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ওই পুলিশ সদস্য আহত হন। তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আজ (শনিবার) ছাড়পত্র পেয়েছেন। এই ঘটনায় মতিহার থানায় মামলা হয়েছে।
শাহিনুল আশিক/আরএআর
