রাবিতে ‘এ’ ইউনিটে প্রথম হলেন নীলফামারীর ফরিদুল

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী

১২ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৫ পিএম


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এ ইউনিটের গ্রুপ-১ এ ৯৪.২০ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন নীলফামারী সরকারি কলেজের ছাত্র মো. ফরিদুল। এ ইউনিটের তিন গ্রুপের মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন। 

ফরিদুল নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ব্যাঙপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম পেশায় সবজি বিক্রেতা। মা মোছা. ফরিদা বেগম গৃহিণী।

ফরিদুল দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আলোকডিহী দাখিল মাদরাসা থেকে ২০১৫ সালে জেডিসি পরীক্ষায় জিপিএ- ৩.৮৫ পেয়ে পাস করেন। এরপর ২০১৮ সালে নীলফামারী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে নীলফামারী সরকারি কলেজে মানবিক বিভাগে ভর্তি হন। ওই কলেজ থেকেই ২০২০ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ইউনিটের গ্রুপ-১ এ ৯৪.২০ নম্বর পেয়ে প্রথমস্থান অধিকার করেন ফরিদুল। এ ইউনিটের তিন গ্রুপের মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন। 

ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমি আলোকডিহী মাদরাসা থেকে জেডিসি পাস করেছি। ফলাফল ভালো হয়নি। এরপর নীলফামারী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাই। পরে বিভাগ পরিবর্তন করে নীলফামারী সরকারি কলেজে মানবিক বিভাগে ভর্তি হই। সেখানেও জিপিএ-৫ পেয়েছি।

তিনি বলেন, আমি প্রথমেই আমার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের সহযোগিতা ছাড়া আমি এতদূর আসতে পারতাম না। আমার কলেজের শিক্ষকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নুরুল করিম স্যার প্রথম বর্ষ থেকেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য পড়িয়েছেন, বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। 

ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা জানিয়ে ফরিদুল বলেন, আইন আমার পছন্দের বিষয়। আমি আইনপেশায় যেতে চাই। আর এখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল দেয়নি। আশা করি সেখানেও ভালো ফলাফল আসবে।

নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দিদারুল ইসলাম জানান, নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ইউনিটে ২৫ জন সুযোগ পেয়েছে। প্রথমস্থান অধিকার করেছে মো. ফরিদুল ইসলাম। এ ছাড়াও প্রথম ১০০ জনের মাঝে পাঁচজন এই কলেজের।

তিনি জানান, কলেজে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিক্ষকরা নিবিড়ভাবে তত্ত্বাবধান করেছেন। তাইতো এ ফলাফল করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যৎ সময়ে আমরা এটা ধরে রাখতে চাই। কলেজের পড়াশোনার মান উন্নয়নে আমরা কাজ করছি।

মাহমুদ আল হাসান রাফিন/এসপি

Link copied