চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচনী সহিংসতা : ৩০ গাড়ি ভাঙচুর, আহত ১৪

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা

২৬ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫২ পিএম


চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচনী সহিংসতা : ৩০ গাড়ি ভাঙচুর, আহত ১৪

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী (স্বতন্ত্র) আশিকুজ্জামান ওল্টুর কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ১৪ জন কর্মী আহত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন প্রার্থী ওল্টু। এছাড়া ৩০টি ইঞ্জিনচালিত আলমসাধু, ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও পাখিভ্যান ভাঙচুর করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কুদ্দুস বটতলার মোড়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর গ্রামের তাহাজ আলীর ছেলে বেরেস্টার ওরফে বেলে (৩১), একই এলাকার কাবেরের ছেলে শাহাবুল (৩২), ইসরাফের ছেলে আশরাফুল (২৫), ফরমান আলীর ছেলে আরিফ (৩৫), রফিকের ছেলে ইকবাল (৩০), মফের ছেলে মেগা (৩৭), উজ্জ্বলের ছেলে বাপ্পি (২০), আব্দুল হাকিমের ছেলে সুমন (২২), আছের আলীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (৪৮), আকা আলীর ছেলে মন্টু (৪০), মৃত সাবদাল মণ্ডলের ছেলে শুকুর মণ্ডল (৬৫), একই ইউনিয়নের প্রাগপুর গ্রামের কছের আলীর ছেলে আনছার আলী (৫৫), একই এলাকার মৃত এরশাদ আলীর ছেলে তোফাজ্জেল আলী (৭৫) ও সানোয়ারের ছেলে মাসুম (৩২)। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আশিকুজ্জামান ওল্টু বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার পর হারদি কৃষি ক্লাবে পথসভার আয়োজন করেছিলাম। আমার কর্মীরা বিভিন্ন গাড়ি নিয়ে আসার সময় চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে কুদ্দুস বটতলার মোড়ে পৌঁছালে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলামের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে আমার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। তারা আমার ১৪ জন কর্মীকে মারধর করে এবং ৩০টিরও বেশি গাড়ি ভাঙচুর করে।

তিনি আরও বলেন, মুঠোফোনের মাধ্যমে খবর আসছে হতাহতের। আহতের সংখ্যা বাড়ছে। সকাল হলে বলতে পারব মোট কতজন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে আমি রাতেই আলমডাঙ্গা থানার একটি অভিযোগ করেছি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান (বর্তমান) প্রার্থী নুরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমার কোনো কর্মী হামলা বা ভাঙচুর করেনি। আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল শোডাউন করেছে। তাদের মধ্যেই হট্টগোল হতে পারে।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পথসভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিই। কোনো গাড়ি ভাঙচুর বা আহতের ঘটনা ঘটেনি।

রোববার (২৮ নভেম্বর) আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদীসহ ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আফজালুল হক/এসএসএইচ

Link copied