বাবার জানাজায় মোবাইল ফোন হারালেন হুইপ স্বপন

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি

জয়পুরহাট

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০৫ এএম


বাবার জানাজায় মোবাইল ফোন হারালেন হুইপ স্বপন

বাবার জানাজার সময় জাতীয় সংসদের হুইপ ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হারিয়েছেন। ওই সময় আরও কয়েকজনের মোবাইল হরিয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি স্টেডিয়ামে হুইপ স্বপনের বাবা আলহাজ্ব শরীফ উদ্দিনের (৮৫) জানাজায় এ ঘটনা ঘটে। বাবার জানাজায় যোগ দেন হুইপ স্বপনসহ স্থানীয়রা। ওই সময় হুইপ স্বপনের মোবাইল হারিয়ে যায়।

একই সময় দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল ইসলাম বুলু, পাঁচবিবির কুসুম্বা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জিহাদ হোসেনসহ আরও কয়েকজনের মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। এক সঙ্গে এতগুলো মোবাইল না খোয়া যাওয়ায় সেগুলো চুরি হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

হুইপ স্বপনের ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম ইমরুল হাসান ঢাকা পোস্টকে বলেন, জানাজার নামাজের কোনো এক সময় মোবাইলটি হারিয়ে যায়।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, হুইপের বাবার জানাজায় আমরা যোগ দিয়েছিলাম। শুনেছি নামাজের সময় হুইপের ব্যবহৃত মোবাইল হারিয়েছে। এ সময় হাকিমপুর, ক্ষেতলাল পৌর মেয়রসহ আরও কয়েকজনের মোবাইল খোয়া গেছে। বলা যায় এগুলো চুরি হয়েছে।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেব ঢাকা পোস্টকে বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত হুইপ স্যারের সঙ্গে ছিলাম। মোবাইল হারিয়েছে এমন কথা স্যার আমাকে জানাননি। পরে অনেকের মুখে জেনেছি আরও কয়েকজনের মোবাইল হারিয়েছে। মোবাইল ফোনগুলো উদ্ধারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। তবে কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি।

প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় হুইপ স্বপনের বাবা রাজধানীর শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গভীর শোক প্রকাশ করেন। হুইপ স্বপনের বাবাকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জয়পুরহাট সদরের নিজ গ্রাম ধলাহার ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

চম্পক কুমার/ওএফ

Link copied