পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাই

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল

২২ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:২৯ পিএম


পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনতাই

আহত এক পুলিশ সদস্য

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ রিপন (৩৮) নামে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া আসামিসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে। 

আহতরা হলেন- গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও কনস্টেবল মাখন চন্দ্র সূত্রধর।

গ্রেফতাররা হলেন- চিলাবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রিপন ও ভুটিয়া গ্রামের মৃত ইনতাজ আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৪০)।  শনিবার (২২ জানুয়ারি) তাদেরকে টাঙ্গাইলে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, আসামি রিপনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও অপহরণ মামলায় ওয়ারেন্ট ছিল। গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও কনস্টেবল মাখন তাকে ধরতে শুক্রবার রাতে ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় যান। এ সময় রিপনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই মিজানুর রহমান তার লোকজন নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ সদস্যদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামিকে ছিনিয়ে নেয় তারা। 

পরে পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুনরায় হ্যান্ডকাপসহ আসামি রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মিজানুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

এদিকে হামলায় আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে এসআই সালাউদ্দিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং কনস্টেবল মাখনকে ভর্তি রাখা হয়। 

গোপালপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, রিপনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় মিজানুর ও তার লোকজন পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামি রিপন ও মিজানকে গ্রেফতার করা হয়। মিজান ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই। সে (মিজান) নেশাগ্রস্ত এবং ইয়াবা সেবনকারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

অভিজিৎ ঘোষ/আরএআর

Link copied