• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. অর্থনীতি

পেট্রোবাংলার ভ্যাট ফাঁকি ২৩ হাজার কোটি, বিপাকে এনবিআর

এফ এম আবদুর রহমান মাসুম
এফ এম আবদুর রহমান মাসুম
২৮ জুন ২০২২, ১০:৫০
অ+
অ-
পেট্রোবাংলার ভ্যাট ফাঁকি ২৩ হাজার কোটি, বিপাকে এনবিআর
পেট্রোবাংলার কাছে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কবাবদ এনবিআরের বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা / ঢাকা পোস্ট

বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) কাছে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্কবাবদ বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা। বছরের পর বছর ধরে ফাঁকি দেওয়া এ অর্থ আদায় নিয়ে বিপাকে পড়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বিজ্ঞাপন

একদিকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বকেয়া রাজস্ব আদায় করতে না পারা, অন্যদিকে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে হাজার হাজার কোটি টাকার ঘাটতি— সবকিছু মিলিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে প্রতিষ্ঠানটি (এনবিআর)। সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত পেট্রোবাংলার কাছে নিরঙ্কুশ বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৬০১ কোটি ৪ লাখ টাকা। এর সঙ্গে চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া ৩৭৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা যোগ করলে বকেয়া ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা।

পেট্রোবাংলার কাছে বকেয়া রাজস্ব আদায় করতে দাবিনামা ও চিঠি দিয়ে যাচ্ছে এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)। কিন্তু কোনোভাবেই তা আদায় হচ্ছে না। কারণ হিসেবে পেট্রোবাংলা বলছে, তাদের কাছে কোনো টাকা নেই। ফলে এনবিআরের দাবি করা ভ্যাট পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পরিশোধের ক্ষমতা নেই। আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়কে অ্যাডজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করার জন্য অনুরোধ করেছি। এনবিআর কর্তৃপক্ষ যে স্থিতির (ব্যাংক) কথা বলছে, আসলে বর্তমানে আমাদের হিসাবে জমা টাকা নেই। যা ছিল এলএনজি খাতে বিনিয়োগে ব্যয় হয়েছে। এখন বরং আমাদের বিভিন্ন বিল সরকার থেকে এনে পরিশোধ করতে হচ্ছেমো. গোলাম মোর্তযা, মহাব্যবস্থাপক (এফএমডি), পেট্রোবাংলা

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে এনবিআরের ভ্যাট বিভাগ বলছে, পেট্রোবাংলার ব্যাংক হিসাবে বড় অঙ্কের অর্থ স্থিতি অবস্থায় রয়েছে। তাছাড়া তারা প্রতি বছর মুনাফাও করছে। যা দিয়ে বকেয়া পরিশোধ সম্ভব।

dhakapost
পেট্রোবাংলা বলছে, তাদের কাছে কোনো টাকা নেই। ফলে এনবিআরের দাবি করা ভ্যাট পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না / ঢাকা পোস্ট

এছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাহায্য নিয়েও রাজস্ব পরিশোধের একটি উপায় বের করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু বারবার তাগাদা দিয়েও রাজস্ব আদায় হচ্ছে না বলে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন >> ১৫ ব্যাংকের ভ্যাট ফাঁকি, এনবিআরের শুনানিতে তলব

বকেয়া অর্থ কেন পরিশোধ হচ্ছে না— এমন প্রশ্নের জবাবে পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (এফএমডি) মো. গোলাম মোর্তযা ঢাকা পোস্টকে বলেন, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পরিশোধের ক্ষমতা নেই। আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়কে অ্যাডজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করার জন্য অনুরোধ করেছি। এনবিআর কর্তৃপক্ষ যে স্থিতির (ব্যাংক) কথা বলছে, আসলে বর্তমানে আমাদের হিসাবে জমা টাকা নেই। যা ছিল এলএনজি খাতে বিনিয়োগে ব্যয় হয়েছে। এখন বরং আমাদের বিভিন্ন বিল সরকার থেকে এনে পরিশোধ করতে হচ্ছে।

সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত পেট্রোবাংলার কাছে নিরঙ্কুশ বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৬০১ কোটি ৪ লাখ টাকা। এর সঙ্গে চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া ৩৭৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা যোগ করলে বকেয়া ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা

‘এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের (জ্বালানি মন্ত্রণালয়) মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়কে ভর্তুকি হিসেবে দেখানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। অ্যাডজাস্টমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত ভ্যাট কর্তৃপক্ষের দাবিনামা থাকবেই। কিন্তু আমাদের টাকা দেওয়ার ক্ষমতা নেই।’

অন্যদিকে, এনবিআরের ভ্যাট বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, পেট্রোবাংলা একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। ভ্যাট আইন অনুসারে তাদের বারবার দাবিনামা ও তাগাদা দিয়ে যাচ্ছি বকেয়া রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য। এছাড়া কী করতে পারি, তাদের ব্যাংক হিসাব তো আমরা ফ্রিজ করতে পারি না। তাদের গাফিলতির কারণে প্রতি বছর আমাদের বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনবিআর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর সমাধান হওয়া দরকার।

আরও পড়ুন >> সোনারগাঁও হোটেলের ২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি

dhakapost
এনবিআরের ভ্যাট বিভাগ বলছে, পেট্রোবাংলার ব্যাংক হিসাবে বড় অঙ্কের অর্থ স্থিতি অবস্থায় রয়েছে। যা দিয়ে বকেয়া পরিশোধ সম্ভব / ঢাকা পোস্ট

সর্বশেষ গত ২১ জুন এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট থেকে পেট্রোবাংলা মহাব্যবস্থাপক (এফএমডি) বরাবর বকেয়া পরিশোধে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, পেট্রোবাংলার নিকট পূর্বের অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত মোট বকেয়ার পরিমাণ ছিল ২২ হাজার ৬০১ কোটি ৪ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া ৩৭৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। বকেয়া পাওনা আদায়ে পেট্রোবাংলা দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনাসহ বৃহৎ করদাতা ইউনিট (মূসক) দপ্তর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় চলতি অর্থবছরে পেট্রোবাংলা বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কোনো মূসক ও সম্পূরক শুল্ক বকেয়া রাখবে না বলে জানায়। পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ পূর্বের বকেয়া ২২ হাজার ৬০১ কোটি ৪ লাখ টাকা বুক অ্যাডজাস্টমেন্ট (কাগজে-কলমে প্রাপ্তি) করার মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও সম্মতি দিয়েছিল। কিন্তু বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে না।

পেট্রোবাংলা একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। ভ্যাট আইন অনুসারে তাদের বারবার দাবিনামা ও তাগাদা দিয়ে যাচ্ছি বকেয়া রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য। এছাড়া কী করতে পারি, তাদের ব্যাংক হিসাব তো আমরা ফ্রিজ করতে পারি না। তাদের গাফিলতির কারণে প্রতি বছর আমাদের বড় অঙ্কের রাজস্ব ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনবিআর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর সমাধান হওয়া দরকারএনবিআরের ভ্যাট বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)

পেট্রোবাংলার ব্যাংকে জমা করা টাকার পরিসংখ্যান তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়, পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট হতে পাওয়া তথ্যানুসারে প্রতিষ্ঠানটির ২০১৯-২০ অর্থবছরের সিএ ফার্ম কর্তৃক সম্পাদিত বার্ষিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, উক্ত অডিট রিপোর্টের পাতা- ২০ অনুযায়ী ৩৯টি এসটিডি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা স্থিতি রয়েছে। পৃষ্ঠার ২৫-৩২ অনুযায়ী ৩৮২টি এফডিআর ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে প্রায় সাত হাজার ১১১ কোটি টাকা পেট্রোবাংলার ব্যাংক হিসাবে স্থিতি রয়েছে। এছাড়া অডিট রিপোর্টের পাতা- ২২ অনুযায়ী শুল্ক ও ভ্যাটের হিসাবে সুদবাবদ ৩ কোটি টাকা আয় প্রদর্শিত আছে। পেট্রোবাংলা শুল্ক ও ভ্যাট খাতের টাকা যথাসময়ে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান না করে উক্ত অর্থ এফডিআর ও এসটিডি লগ্নি করে তার ওপর সুদ হিসাবে আয় করছে। কিন্তু মূসকের পাওনা জমা প্রদান করছে না। অথচ আর্থিক সংস্থান না থাকায় বকেয়া মূসক পরিশোধ করা হচ্ছে না বলে বিভিন্ন সময়ে ভ্যাট বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। যদিও সিএ ফার্ম কর্তৃক সম্পাদিত বার্ষিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ অনুযায়ী পেট্রোবাংলার সরকারি নিরঙ্কুশ বকেয়া রাজস্ব পরিশোধের সক্ষমতা রয়েছে। তারপরও উল্লিখিত বকেয়া মূসক পরিশোধ না করা অনভিপ্রেত।

আরও পড়ুন >> আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি

এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির নিকট পাওনা নিরঙ্কুশ বকেয়া রাজস্ব ২২ হাজার ৬০১ কোটি ৪ লাখ টাকা বুক অ্যাডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে কিংবা ট্রেজারি জমার মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি অর্থবছরের পাওনা বাবদ ৩৭৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (ভ্যাট/মূসক) অনুকূলে ট্রেজারি জমা প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় মূসক আইন অনুযায়ী ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ কর্তনের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

dhakapost
বছরের পর বছর ধরে ফাঁকি দেওয়া অর্থ আদায় নিয়ে বিপাকে পড়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) / ফাইল ছবি

চিঠিতে একই সঙ্গে চলতি কর মেয়াদের মে ও জুন মাসের মূসক বা ভ্যাটবাবদ প্রদেয় রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চলতি বছরের ২ এপ্রিল অপর এক চিঠিতে ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত ৯৯৪ কোটি ২৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা বকেয়া পরিশোধের অনুরোধ করেছিল এলটিইউ বিভাগ। ওই চিঠিতে দাবিনামার অন্তত ২০ শতাংশ পরিশোধের পাশাপাশি বাকি টাকা ছয় মাসের কিস্তিতে পরিশোধের অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু পেট্রোবাংলা কোনো টাকা পরিশোধ করেনি বলে জানা যায়।

অডিট রিপোর্টের পাতা- ২২ অনুযায়ী শুল্ক ও ভ্যাটের হিসাবে সুদবাবদ ৩ কোটি টাকা আয় প্রদর্শিত আছে। পেট্রোবাংলা শুল্ক ও ভ্যাট খাতের টাকা যথাসময়ে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান না করে উক্ত অর্থ এফডিআর ও এসটিডি লগ্নি করে তার ওপর সুদ হিসাবে আয় করছে। কিন্তু মূসকের পাওনা জমা প্রদান করছে না

আরও পড়ুন >> কম যায় না রূপসী বাংলাও, ভ্যাট ফাঁকি ১৮.৮৩ কোটি

সার্বিক বিষয়ে পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, পেট্রোবাংলার বকেয়া অর্থ আদায়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর সঙ্গে বহু চিঠি চালাচালি ও বৈঠক হয়েছে। মাঝে কিছু অর্থ পরিশোধও করা হয়েছে। আমরা বকেয়া রাজস্ব কাগজে-কলমে প্রাপ্তি (বুক অ্যাডজাস্টমেন্ট) হিসাবে দেখানোর জন্য এনবিআর ও অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছিলাম। অর্থাৎ ওই বকেয়া অর্থ এনবিআরের প্রাপ্তি হিসাবে দেখানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় হিসাবে দেখানো হবে। কিন্তু অডিট সংক্রান্ত কিছু প্রক্রিয়াগত জটিলতায় তাও আটকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে এসব অর্থের সুরাহা করতে অর্থ সচিব এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আবারও চিঠি পাঠায় এনবিআর। যেখানে এনবিআর চেয়ারম্যান বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিষয়টি উল্লেখ করে বকেয়া অর্থ পরিশোধের তাগাদা দিয়েছেন বারবার। কিন্তু পেট্রোবাংলার বিকল্প উপায় আপাতত জানা নেই।

পেট্রোবাংলা সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের তৈল, গ্যাস ও খনিজ অনুসন্ধান এবং উন্নয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত প্রতিষ্ঠান। এটি দেশের খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন ও বাজারজাতকরণেও কাজ করে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে উৎপাদন অংশীদারি চুক্তিও সম্পাদন করে থাকে।

আরএম/এমএআর/

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

ভ্যাট গোয়েন্দাএনবিআরসরকারঅর্থ মন্ত্রণালয়বাংলাদেশ

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধির অনলাইন সিস্টেম চালু এনবিআরের

রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধির অনলাইন সিস্টেম চালু এনবিআরের

কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি

কোম্পানির রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বৃদ্ধি

রাজস্ব বোর্ডের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

রাজস্ব বোর্ডের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও

কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও