• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. অর্থনীতি

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে খাসি-মুরগি-মাছ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:৫৯
অ+
অ-
বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে খাসি-মুরগি-মাছ

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে খাসির মাংসের দাম কেজিতে ১০০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া খাসির মাংস এখন কিনতে গেলে গুণতে হচ্ছে ১২০০ টাকা। পাশাপাশি বাড়তি গরিবের ব্রয়লারের দামও। কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা। চড়া মাছের বাজারও। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংসের বাজার।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, মেরাদিয়ার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আজকের বাজারে ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১২০০ টাকা কেজি দরে।

দাম বাড়ার কারণ প্রসঙ্গে বনশ্রী-মেরাদিয়া বাজারের খাসির মাংস বিক্রেতা তৈয়ব খান বলেন, ৮/ ১০ দিন আগে খাসির মাংস ১০৫০/১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। এখন ১১৫০/১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কারণ শীতকালে অনুষ্ঠানের চাপ বেশি থাকে। তাই খাসির চাহিদা বেশি থাকে। অনুষ্ঠানের চাপ কমে গেলে মাংসের দামও কমে যাবে।

বিজ্ঞাপন

তবে গরুর মাংস আগের মতোই ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে গরুর মাংস বিক্রেতা খোকন তালুকদার বলেন, কয়েক মাস ধরে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। গরুর খাদ্যের দাম অস্বাভাবিক। গরুর খাদ্যের দাম না কমলে মাংসের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।

dhakapost

মাংস কিনতে আসা ক্রেতা আনিসুর রহমান বলেন, সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবে না। অনেক সময় ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়াল খুশিমতো সব কিছুর দাম বাড়িয়ে দেয়। বাজার মনিটরিং জোরদার হলে খেয়ালখুশি মতো দাম বাড়াতে পারতো না।

এদিকে ব্রয়লারের পাশাপাশি স্বস্তির খবর নেই মাছের বাজারেও। মাছ বিক্রি হচ্ছে আগের সেই বাড়তি দামেই।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বেড়েছে ব্রয়লারের দাম, অস্বস্তি মাছের বাজারেও
শীতের ছোঁয়ায় শীতল সবজির বাজার

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বড় রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ছোট ও মাঝারি আকৃতির রুই ৩০০ টাকার কিছু কম-বেশি, কাতল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চাষের মাগুর ৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা, কোরাল ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, টেংরা ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ থেকে ২৩০ টাকা ও তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।প্রতি কেজি বোয়াল ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, পোয়া ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইড় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, দেশি কৈ ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শোল ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং নদীর পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। অস্থির ইলিশের বাজারও। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০০-৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২২৫০ টাকায়। এছাড়া দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ৩২০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার টাকা দরে, আর ৫০০-৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৪০০ টাকা ও ৩০০-৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের জন্য গুণতে হচ্ছে ৮০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত।

বাজারে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় মাছ-মাংসে বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।

এমএইচডি/এমএ

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

বাজার দরদ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিজনদুর্ভোগরাজধানীর খবর

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

সাধ্যের পাঞ্জাবিতেই ঈদের খুশি, শোরুমগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

সাধ্যের পাঞ্জাবিতেই ঈদের খুশি, শোরুমগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

খোলা সয়াবিন ২২০ টাকা, ব্র্যান্ডের তেলেও অঘোষিত দাম বৃদ্ধি

খোলা সয়াবিন ২২০ টাকা, ব্র্যান্ডের তেলেও অঘোষিত দাম বৃদ্ধি

‘ব্রয়লার এখন আর গরিবের নয়, ধনীদের হয়ে গেছে’

‘ব্রয়লার এখন আর গরিবের নয়, ধনীদের হয়ে গেছে’

সোনার দাম আরও কমলো

সোনার দাম আরও কমলো