বিক্রি বাড়লেও লোকসানে ইস্টার্ন কেবলস

প্রকৌশল খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন কেবলস লিমিটেডের বিক্রি চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। অবশ্য বিক্রি বাড়া সত্ত্বেও আলোচ্য সময়ে লোকসান করেছে কোম্পানিটি।
কোম্পানির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) আলোচিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ইস্টার্ন কেবলসের বিক্রি হয়েছে ১৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৩৭ টাকা ৩৬ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ইস্টার্ন কেবলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৪৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৩৯ টাকা ৩২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ইস্টার্ন কেবলসের ইপিএস হয়েছে ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪৪ টাকা ৬৩ পয়সায়।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন কেবলসের অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৬৪ লাখ। এর মধ্যে সরকারের কাছে ৫১ শতাংশ, উদ্যোক্তা পরিচালক ৮ দশমিক শূন্য ৮, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১২ দশমিক ৭৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৮ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
এমএমএইচ/এমএন