• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. অর্থনীতি

অনুমোদন ছাড়াই ডেসকোর ডাটা সেন্টার নির্মাণে ৭৫ কোটি টাকা লুটপাট

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২২:৩৮
অ+
অ-
অনুমোদন ছাড়াই ডেসকোর ডাটা সেন্টার নির্মাণে ৭৫ কোটি টাকা লুটপাট

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ৭৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ক্ষতিসাধনের অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বিজ্ঞাপন

দুদকের অনুসন্ধান বলছে, সরকারি নির্দেশনা সরাসরি উপেক্ষা করে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ নষ্ট করা হয়েছে। যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ক্ষতিসাধন হয়েছে। যার জন্য সরাসরি ডেসকোর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কাউসার আমীর আলী এবং প্রধান প্রকৌশলী শামীম আহসান চৌধুরীকে দায়ী করা হয়েছে। এরই মধ্যে গত ২২ জানুয়ারি দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে তাদেরকে আসামি করে মামলাও দায়ের করেছে দুদকের উপসহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমান।

এ বিষয়ে দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রজ্ঞাপন অমান্য করেন। সরকারি নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা ছিল, আইসিটি বিভাগের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থা নতুন করে আলাদা ডাটা সেন্টার নির্মাণ করতে পারবে না এবং সব সরকারি তথ্য সরকারের সেন্ট্রাল ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। কিন্তু এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণ করে সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা প্রমাণ পেয়েছে। যে কারণে কমিশনের অনুমোদনক্রমে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
অভিনেত্রী ঊর্মিলাসহ ৩ জনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক
সাবেক প্রেসসচিব নাঈমুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
ডেপুটি গভর্নর কবিরকে আসামি করার ব্যাখ্যায় যা বলছে দুদক

বিজ্ঞাপন

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, সরকারের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণে প্রথমে প্রায় ৭১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বরে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা সংস্থা নতুন প্রকল্পে ডাটা সেন্টার নির্মাণ করতে পারবে না। যেসব প্রকল্পে এ খাতে বাজেট বরাদ্দ রয়েছে, তা ফেরত দিতে হবে এবং সব সরকারি ডাটা সরকার পরিচালিত সেন্ট্রাল ডাটা সেন্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে ২০২১ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ এবং বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ‘বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (বিডিসিসিএল)’ নামে সরকারের নিজস্ব সেন্ট্রাল ডাটা সেন্টার চালু করা হয়। কিন্তু এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ডেসকো ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এবং একাধিক জাতীয় পত্রিকায় প্রায় ৭১ কোটি ৭৮ লাখ ৪ হাজার ৮৮৬ টাকা ব্যয়ে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হলে ২০২২ সালের ৮ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে কালিয়াকৈরের জাতীয় ডাটা সেন্টারে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সরকারি প্রজ্ঞাপন অমান্য করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডাটা সেন্টার নির্মাণের প্রবণতা নিয়ে আলোচনা হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ই-গভর্নেন্স-১ অধিশাখা থেকে ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে পুনরায় নির্দেশনা দেওয়া হয়, আইসিটি বিভাগের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো সংস্থা নতুন করে ডাটা সেন্টার নির্মাণ করতে পারবে না। অর্থাৎ ডেসকোর এই দরপত্র সরকারি সিদ্ধান্তের সরাসরি লঙ্ঘন। যার মাধ্যমে সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ নষ্ট হয়েছে এবং রাষ্ট্রের ৭৪ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯২ টাকা ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে দুদক মনে করছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরএম/এসএসএইচ

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

ডেসকোদুদকদুর্নীতিদুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

কাজী ফিরোজ রশীদ ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

কাজী ফিরোজ রশীদ ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

মনিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফরহাদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

মনিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ফরহাদ ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও

কর কর্মকর্তার সাড়ে ১৪ কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় : ফাঁসালেন বাবা-মাকেও

২১ কোটি টাকার দুর্নীতি : আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রী

চার্জশিট অনুমোদন২১ কোটি টাকার দুর্নীতি : আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার স্ত্রী