সাবেক দুই কমিশনারসহ ১০ সচিবের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

দুদকের সাবেক দুই কমিশনারসহ সাবেক ১০ সচিবের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. আক্তারুল ইসলাম জানিয়েছেন।
যাদের সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে তারা হলেন— দুদকের সাবেক সাবেক কমিশনার মো. জহুরুল হক, মো. মোজাম্মেল হক খান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব এম এ কাদের সরকার, সাবেক সিনিয়র সচিব এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (আইডিআরএ) ড. এম আসলাম আলম, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক সচিব আকতারী মমতাজ, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব মো. সিরাজুল হক খান, সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান এবং সাবেক সিনিয়র সচিব এস এম গোলাম ফারুক।
দুদক জানায়, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ‘গৃহায়ন ধানমন্ডি (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পে অনৈতিক ও বিধিবহির্ভূতভাবে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দের অভিযোগের অনুসন্ধানে আরও বড় পরিসরে অনিয়মের ইঙ্গিত মিলেছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ১০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
সূত্র আরও জানায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ঘোষিত সম্পদের বাইরে আরও সম্পদ অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে এমন প্রাথমিক ধারণা পাওয়ায় তাদের সম্পদের সঠিক হিসাব ও উৎস যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্পদের প্রকৃত পরিমাণ ও উৎস যাচাই করার জন্য অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ১০ জন ব্যক্তির প্রতি দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় আদেশ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে আজ বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বরাদ্দের অভিযোগে দুদকের দুই সাবেক কমিশনার, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সাবেক বিচারকসহ ঊর্ধ্বতন ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক।
আরএম/এমএন