এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারে লক-ইন ৩ বছর বাড়াল বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের শেয়ারের লক-ইন মেয়াদ আরো ৩ বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের সভাকক্ষে বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৯৯তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ফান্ডের ব্যবহার সম্পন্ন না করেই প্রকল্প মূল্যায়ন, সম্ভাব্যতা যাচাই ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন (রাজউক কর্তৃক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ইত্যাদি) ব্যতিরেকে এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ছাড়াই গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর ৩২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা জানিয়ে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) প্রকাশ করে। এমনকি ওই ভবন নির্মাণ ও আবাসন/হোটেল ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টিও কোম্পানির সংঘস্মারকের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিদর্শনে এসব অসংগতি উঠে এসেছে।
এমন পরিস্থিতিতে আজকের কমিশন সভায় ডিএসইর পরিদর্শন প্রতিবেদন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের (প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১৮৩ জন/প্রতিষ্ঠান) ধারণকৃত শেয়ারের ওপর বিদ্যমান লক-ইন অবমুক্তির তারিখ থেকে পরবর্তী ০৩ (তিন) বছর বা প্রস্তাবিত ৩২ তলাবিশিষ্ট বিল্ডিংয়ের নির্মাণকাজের সমাপ্তি ও বাণিজ্যিক ব্যবহার চালুকরণের (রাজউক এর অকুপেন্সি সার্টিফিকেটসহ) মধ্যে যেটি পরে সম্পন্ন হবে, ততদিন পর্যন্ত লক-ইন বৃদ্ধিকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট ৮৩৭তম কমিশন সভায় আইপিওর মাধ্যমে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৯৫ কোটি টাকা উত্তোলন করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। ওই ৯৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে কোম্পানিটি ব্যবসায় সম্প্রসারণ (যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ইনস্টলেশন), ফ্যাক্টরি ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা খরচ খাতে ব্যয় করবে বলে প্রসপেক্টাসে উল্লেখ থাকলেও এখন পর্যন্ত আইপিও মাধ্যমে উত্তোলনকৃত অর্থ বা আইপিও ফান্ডের ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারেনি।
এমএমএইচ/জেডএস