দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৯ মার্চ) লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এতে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূল্যসূচকে পতন হয়েছে। তবে অতিরিক্ত বিক্রির চাপে বেড়েছে এ বাজারে লেনদেনের পরিমাণ।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। ফলে এ বাজারটিতেও মূল্যসূচক কমেছে। সূচকের পতন হলেও ডিএসইর মতো এ বাজারটিতেও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রোববার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। তবে লেনদেন শুরুর অল্প সময়ের মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত।
বিজ্ঞাপন
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫০টির। আর ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৯৮ পয়েন্টে নেমে গেছে।
সবকটি মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৪৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৬০৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৪২ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
বিজ্ঞাপন
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১১২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯৯ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৯৮টির এবং ১৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ২০ কোটি ৬ লাখ টাকা।
এমএসআই/বিআরইউ
