বিজ্ঞাপন

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

অর্থনীতি সচল রাখতে ‘রক্তসঞ্চালনের’ মতোই সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে

অ+
অ-
অর্থনীতি সচল রাখতে ‘রক্তসঞ্চালনের’ মতোই সংস্কার অব্যাহত রাখতে হবে

অর্থনীতিকে সচল ও গতিশীল রাখতে সংস্কার প্রক্রিয়াকে মানবদেহের রক্তসঞ্চালনের সঙ্গে তুলনা করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। 

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, রক্তসঞ্চালন বন্ধ হলে যেমন মানবদেহ অচল হয়ে পড়ে, তেমনি সংস্কার কার্যক্রম থেমে গেলে অর্থনীতির গতিও ব্যাহত হয়। 
তাই টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তিনি সংস্কার অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও ইআরএফের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

বিজ্ঞাপন

ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া বক্তব্য দেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ এবং প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন শওকত হোসেন প্রমুখ।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সংস্কার কোনো স্থির বা এককালীন প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি একটি চলমান ও অব্যাহত প্রয়াস। অর্থনীতিকে সচল রাখতে যেমন মানবদেহে রক্তসঞ্চালন অপরিহার্য, তেমনি সংস্কারও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উত্তরণের জন্য অপরিহার্য।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংস্কারকে কখনোই সমাপ্ত বা চূড়ান্ত কোনো বিষয় হিসেবে দেখা উচিত নয়। কেউ যদি মনে করেন একটি সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংস্কার প্রক্রিয়াও শেষ হয়ে গেছে, তবে সেটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।

বিজ্ঞাপন

তার মতে, অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে ধারাবাহিকভাবে সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। এই প্রক্রিয়া থেমে গেলে অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এটি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেই নয়, বরং সামগ্রিক কাঠামোগত উন্নয়নের জন্যও অপরিহার্য। 

তাই আগামী দিনে সংস্কার কার্যক্রমকে আরও জোরদার ও ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসআই/এমএসএ