বিজ্ঞাপন

পুঁজিবাজার আধুনিকায়নে এডিবির কারিগরি সহায়তা চায় বিএসইসি

পুঁজিবাজার আধুনিকায়নে এডিবির কারিগরি সহায়তা চায় বিএসইসি

দেশের পুঁজিবাজারের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাজার মূলধন বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এরই ধরাবাহিকতায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। 

‘টেকসই অর্থায়ন ও পুঁজিবাজার উন্নয়ন সাব-প্রোগ্রাম-১’ এর আওতায় বিএসইসিকে এই সহায়তা দেবে এডিবি।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠানো এক চিঠিতে এডিবির কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়ে আগ্রহের কথা জানিয়েছে বিএসইসি। চিঠিতে এডিবির সঙ্গে হওয়া আলোচনার বিস্তারিত তথ্য ইআরডি সচিবকে অবহিত করা হয়েছে।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, এর আগে এডিবির পক্ষ থেকে পাঠানো খসড়া সহায়ক স্মারকলিপিতে ‘খসড়া এইড মেমোয়ার’ এই কারিগরি সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে  চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি বিএসইসি এ বিষয়ে প্রাথমিক আগ্রহ প্রকাশ করে ইআরডিতে চিঠি পাঠায়। সর্বশেষ চিঠিতে কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, টেকসই অর্থায়ন এবং আধুনিক পুঁজিবাজার বিনির্মাণে তারা এই বৈশ্বিক সংস্থার বিশেষজ্ঞ সহায়তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিতে আগ্রহী।

প্রস্তাবিত সহায়তার মাধ্যমে পুঁজিবাজার অবকাঠামো আধুনিকীকরণ, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম জোরদার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি বাজার মূলধন বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করে কমিশন।

বিএসইসি পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এডিবি “সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট সাবপ্রোগ্রাম-১”-এর আওতায় বিএসইসিকে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। কমিশন এই কারিগরি সহায়তা গ্রহণে আগ্রহী, যা পুঁজিবাজারের অবকাঠামো আধুনিকীকরণ, বাজার মূলধন বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে ব্যবহার করা হবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৯ মার্চ বিএসইসি এবং এডিবির প্রতিনিধিদলের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে কারিগরি সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেই আলোচনার সারসংক্ষেপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা পেলে দেশের পুঁজিবাজারে সংস্কার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এবং টেকসই অর্থায়ন খাতে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। 

এমএমএইচ/এসএম