রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কোনো শ্রমিক বা তার একান্ত পরিবারের কেউ থাকলে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
তিনি বলেন, রানা প্লাজা ইস্যু নিয়ে কেউ যেন কোনো অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে না পারে, বিজিএমইএ সে বিষয়ে সজাগ থাকবে।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের স্মরণে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উত্তরায় বিজিএমইএ দপ্তরে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত ও আহতদের আরোগ্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
এ সময় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি কেবল একটি দুর্ঘটনা ছিল না; এটি ছিল আমাদের সামগ্রিক পোশাক শিল্পের জন্য একটি ‘ওয়েক-আপ কল’।
তিনি বলেন, বিগত এক যুগে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে যে আমূল পরিবর্তন এসেছে, তা আজ সারা বিশ্বের কাছে একটি বিস্ময় ও রোল মডেল। আমরা এখন বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পের দেশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এই রূপান্তরের কারিগর আমাদের শ্রমিক, উদ্যোক্তা এবং আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অংশীজনরা।
দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন বিজিএমইএ-এর প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান, সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক ফয়সাল সামাদ, পরিচালক মো. হাসিব উদ্দিন, পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা, পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম, পরিচালক ফাহিমা আক্তার, পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান, পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ, পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম, পরিচালক রুমানা রশীদ, পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল, পরিচালক সামিহা আজিম, বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যরা।
এমএমএইচ/এমএসএ
