দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (৫ মে) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এতে আগের দিনের ধারাবাহিকতায় কমেছে এক্সচেঞ্জটির সবগুলো মূল্যসূচক। একই সঙ্গে ডিএসইতে দিনের ব্যবধানে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। গতকাল মঙ্গলবারও এই শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমেছিল।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। লেনদেনের প্রথম এক ঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকে। কিন্তু প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষ হতেই বদলে যেতে থাকে বাজারের চিত্র। দাম বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় নাম লেখাতে থাকে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে এই ধারা। ফলে দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক কমেই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১০৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২১৬টির। এছাড়া ৬৭ প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৮ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক এক পয়েন্ট কমে এক হাজার ৫৮ পয়েন্টে নেমে গেছে।
মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৭৬৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে (মঙ্গলবার) লেনদেন হয় ৮৩২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৬৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। মঙ্গলবার আগের দিনের তুলনায় এই বাজারে লেনদেন কমেছিল ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই আজ ১৪ পয়েন্ট কমেছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৯টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০৪টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা।
এমএমএইচ/এসএম
