নিরাপদ খাদ্যের বিশ্বস্ত নাম হিসেবে পরিচিত ‘ঘরেরবাজার’ এবার পা রাখল লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন জগতে। শালীনতা, নান্দনিকতা ও আধুনিক রুচির সমন্বয়ে তারা নিয়ে এসেছে নতুন ব্র্যান্ড ‘তাবায়া’। মূলত রুচিশীল ও মডেস্ট ফ্যাশনকে আরও প্রিমিয়াম ও গ্রহণযোগ্যভাবে উপস্থাপন করার লক্ষ্য নিয়ে এই নতুন উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছে।
আধুনিক প্রজন্মের রুচির কথা মাথায় রেখে মডেস্ট ফ্যাশনকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দেওয়াই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
বাংলাদেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী মুসলিম হওয়ায় ইসলামি সংস্কৃতি, আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের পোশাকধারা এবং শালীন জীবনধারার প্রতি মানুষের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। সেই ভাবনা থেকেই “তাবায়া” এমন একটি পোশাকধারা নিয়ে এসেছে, যেখানে একসাথে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শালীনতা, আরাম, ব্যবহারিকতা ও আধুনিক নান্দনিকতাকে।
দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পাঞ্জাবির পাশাপাশি প্রিমিয়াম কাপড়ে তৈরি তোব, কাবলি পাঞ্জাবি, আবায়া ও অন্যান্য শালীন পোশাকের সমাহার থাকছে “তাবায়া”-তে। প্রতিটি পোশাক পেশাদার ডিজাইনারদের তত্ত্বাবধানে এবং দক্ষ কারিগরদের হাতে তৈরি হচ্ছে, যাতে আন্তর্জাতিক মানের ফিনিশিং ও আরাম নিশ্চিত করা যায়।
আধুনিক কাট, মিনিমাল ডিজাইন এবং প্রিমিয়াম ফ্যাবরিক সিলেকশনের মাধ্যমে দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করতে কাজ করছে “তাবায়া”। অনলাইন ও অফলাইনের সমন্বয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে এই পোশাকগুলো পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
এ বিষয়ে “তাবায়া”-এর ফাউন্ডার এবং ঘরেরবাজার–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জামশেদ মজুমদার বলেন, “আমরা অনেকদিন ধরেই মডেস্ট ফ্যাশন নিয়ে অর্থবহ কিছু করার পরিকল্পনা করছিলাম। গত প্রায় এক বছর ধরে ডিজাইন, ফেব্রিক, ফিট ও মেটেরিয়াল নিয়ে নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করেছি। অবশেষে এবারের কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমরা ‘তাবায়া’ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “‘তাবায়া’ শুধু একটি পোশাক ব্র্যান্ড নয়; বরং এটি এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে শালীনতা, সংস্কৃতি, আস্থা ও মানসম্পন্ন লাইফস্টাইলকে একসাথে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। আধুনিক প্রজন্মের রুচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে মডেস্ট ফ্যাশনকে আরও অভিজাত, আরামদায়ক ও বিশ্বজনীন করে তুলতেই আমাদের এই যাত্রা।”
বর্তমানে “তাবায়া” তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও https://www.tabaya.com এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বিআরইউ
