শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস (শেয়ার দরের সর্বনিম্ন সীমা) প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাজারে স্বাভাবিক লেনদেনের গতি ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘসময় পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। মঙ্গলবার (৯ জুন) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত বিএসইসির বিশেষ কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশন সভা শেষে বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান স্বাক্ষরিত এই সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে।
বিএসইসির আদেশে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট জারি করা আদেশের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর শেয়ার লেনদেনের ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস এবং অন্যান্য শর্তাবলি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া এখন থেকে দুই কোম্পানিসহ তালিকাভুক্ত সব শেয়ারের ক্ষেত্রে ২০২১ সালের ১৭ জুন সার্কিট ব্রেকার বিধান অনুযায়ী ঊর্ধ্বসীমা (আপার লিমিট) ও নিম্নসীমা (লোয়ার লিমিট) প্রযোজ্য হবে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ, স্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং শেয়ারবাজারের উন্নয়নের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনার আগে সোমবার পর্যন্ত বেক্সিমকোর শেয়ার ১১০ টাকা ১০ পয়সা এবং ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার ৩২ টাকা ৬০ পয়সায় ফ্লোর প্রাইসে আটকে রয়েছে। ফ্লোর প্রাইস থাকায় এই শেয়ার দুটিতে বিদ্যমান বাজারদরে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। এতে অনেকেই শেয়ার বিক্রির চেষ্টা করেও দীর্ঘদিন ধরে শেয়ার বিক্রি করতে পারছে না।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট চারটি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়। কোম্পানিগুলো হলো— খুলনা পাওয়ার, শাহজিবাজার পাওয়ার, বিএসআরএম লিমিটেড এবং মেঘনা পেট্রোলিয়াম।
এমএমএইচ/জেডএস
