বিজ্ঞাপন

ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও স্টার্ট-আপে করমুক্তির প্রস্তাব

ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও স্টার্ট-আপে করমুক্তির প্রস্তাব

কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন ও তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক কর সুবিধার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয় এবং কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি স্টার্ট-আপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর কর অব্যাহতি সুবিধা রয়েছে। এ সুবিধা অন্যান্য সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের আয় বৈধভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে আনতে আরও উৎসাহিত হবেন বলে বাজেট প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়।

এতে তরুণদের উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দিতে সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি তারুণ্যকে প্রাধান্য দিয়ে স্টার্ট-আপ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্যও কর সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এসএমই উদ্যোক্তাদের ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার থেকে অর্জিত আয় করমুক্ত থাকবে।

এ ছাড়া, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে যেকোনো উৎপাদনমুখী শিল্প, পর্যটন বা ক্রীড়াক্ষেত্রের স্থাপনা ও যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগের ওপর ত্বরান্বিত অবচয় (অ্যাকসেলারেটেড ডিপ্রিসিয়েশন) সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে অবচয়ের সুবিধা পাওয়া যাবে।

আরএইচটি/এসএএস/এনএফ