২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সিসি স্ল্যাব পুনর্গঠনের ফলে নতুন গাড়ির তুলনায় রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম অনেক ক্ষেত্রে বেশি পড়ে যাবে, যা বাজারে বৈষম্য তৈরি করবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি আব্দুল হক।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ওপর করভার বৃদ্ধির ফলে এসব গাড়ির দাম আরও বাড়বে এবং মধ্যবিত্তের জন্য গাড়ি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও কমতে পারে।
শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়া নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বারভিডা সভাপতি। এসময় সংগঠনটির মহাসচিব রিয়াজ রহমান এবং সাবেক সভাপতি হাবিব উল্লাহ ডন ও মান্নান চৌধুরী খসরুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বারভিডার বর্তমান সভাপতি আব্দুল হক বলেন, এরইমধ্যে দেশে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ২১ হাজার থেকে কমে ৯ হাজার ৪০০-তে নেমে এসেছে। নতুন কর কাঠামো কার্যকর হলে আগামী বছর এ সংখ্যা আরও কমবে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে কিছু শুল্ক সুবিধা দেওয়া হলেও এসব গাড়ির দাম এখনও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। একইভাবে ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে কর ছাড় দেওয়া হলেও উচ্চমূল্যের কারণে এর সুফল ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাবে না।
বারভিডা সভাপতি মনে করেন, ইলেকট্রিক রিকশাকে নিবন্ধন ও করের আওতায় আনা হলে সরকার যেমন রাজস্ব পেতো, তেমনি এ খাতেও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো। পাশাপাশি প্লাগ ইন হাইব্রিড ও রিকন্ডিশন্ড হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে সমন্বিত শুল্ক কাঠামো প্রণয়নেরও আহ্বান জানান তিনি।
আব্দুল হক বলেন, সরকার নতুন গাড়ির জন্য শুল্ক সুবিধা দিলেও একই সুবিধা রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ক্ষেত্রে দেওয়া হয়নি। বরং রিকন্ডিশন্ড প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে।
এমএমএইচ/জেডএস
