দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ঢালাও দরপতন হয়েছে। ফলে কমেছে প্রধান মূল্যসূচক ও শরিয়াহ সূচক। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। অবশ্য ঢালাও দরপতনের মধ্যেও বড় মূলধনের বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে। এতে বেড়েছে বাছাই করা ৩০ কোম্পানি সমন্বয়ে গঠিত সূচক।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তুলনায় দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে কমেছে মূল্যসূচক। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রোববার (২১ জুন) ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মেলে। তবে লেনদেনের শেষদিকে এক শ্রেণির বিনিয়োগকারী বিক্রির চাপ বাড়ায়। দাম বাড়ার তালিকা থেকে অনেক প্রতিষ্ঠান দাম কমার তালিকায় চলে আসে। এতে বড় হয় দাম কমার তালিকা।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৭১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২৯৮টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে নেমে গেছে। তবে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
প্রধান মূল্যসূচক কমার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ১৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৯৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১০৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৬ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৯টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩৬টির এবং ২১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
এমএমএইচ/জেডএস
