বিজ্ঞাপন

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে অনীহা নয়, ব্যাংকগুলোকে সতর্কবার্তা

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে অনীহা নয়, ব্যাংকগুলোকে সতর্কবার্তা

সঞ্চয়পত্র বিক্রি অব্যাহত রাখা এবং গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশের সব ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার (২৪ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে সব তফসিলি ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীদের (সিইও) চিঠি দিয়েছে।

তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে এবং নানা প্রক্রিয়ায় সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছে-সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এমন অভিযোগ ওঠেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছ থেকে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাই সঞ্চয়পত্র বিক্রির দায়িত্বপ্রাপ্ত ইস্যু অফিস হিসেবে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং সেবার মান বজায় রাখতে হবে।

এ ছাড়া ব্যাংক শাখাগুলোতে সঞ্চয়পত্র-সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণের পদ্ধতি দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর-এর অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। 

পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগ করতে পারে। মেয়াদ পূর্তির পর এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পাশাপাশি তফসিলি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও এসব সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা হয়।

এসআই/বিআরইউ