বিজ্ঞাপন

সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে স্বাধীনতা পাচ্ছে ডিএসই ও সিএসই

সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে স্বাধীনতা পাচ্ছে ডিএসই ও সিএসই

পুঁজিবাজারে শেয়ারের দর ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত সার্কিট ব্রেকারসহ বাজার নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন মাপকাঠি (মার্কেট কন্ট্রোল প্যারামিটারস) নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) হাতে ছেড়ে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ১০১৮তম জরুরি কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ বাতিলেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

বুধবার (১ জুলাই) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিএসইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালা অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকারের সীমাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন মাপকাঠি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের এখতিয়ার স্টক এক্সচেঞ্জ দুটির রয়েছে। তাই বিদ্যমান প্রবিধান, নীতিমালা এবং পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় এসব মাপকাঠি স্বাধীনভাবে নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের জন্য ডিএসই ও সিএসইকে নির্দেশনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ১৭ জুন জারি করা কমিশনের Order No. BSEC/Surveillance/2020-975/219 বাতিল (রিপিল) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে স্টক এক্সচেঞ্জ দুটির কার্যকর ভূমিকা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে বাজার পরিচালনায় তাদের স্বায়ত্তশাসনও বৃদ্ধি পাবে।

এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালা অনুযায়ী সার্কিট ব্রেকারের সীমাসহ বাজার নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন মাপকাঠি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের এখতিয়ার স্টক এক্সচেঞ্জেরই। তবে সার্কিট ব্রেকারটা কমিশনের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো বা কমিশনের ডিরেক্টিভস অনুযায়ী চলত। তবে কমিশন মনে করে, স্টক এক্সচেঞ্জর যে স্বাধীনতা আছে, সেটা তাকে ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত। তাই যে অর্ডার ছিল, সেটা তুলে নেওয়া হয়েছে। এটা নতুন করা হয়েছে এমন নয়, আগে থেকেই ছিল।

এমএমএইচ/এমএসএ