বিজ্ঞাপন

বিসিকের বর্ষা মেলায় দেশীয় সংস্কৃতি ও পণ্যের সমারোহ

বিসিকের বর্ষা মেলায় দেশীয় সংস্কৃতি ও পণ্যের সমারোহ

দেশীয় পোশাক থেকে খাবার, ঐতিহ্যবাহী জামদানি, হস্তশিল্প ও গৃহস্থালি অনুষঙ্গের সবকিছু মিলছে একই ছাদের নিচে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আয়োজিত চার দিনব্যাপী বিসিক বর্ষা মেলায় দেখা মিলছে এমন চিত্রের।

রোববার (৫ জুলাই) বিসিক ভবনে আয়োজিত এ মেলায় গেলে দেখা যায়, দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিশেলে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে বর্ষা মেলা। একদিকে যেমন মিলছে জামদানি, সিল্ক ও বিভিন্ন ধরনের পোশাক; তেমনি দেশীয় খাবার, দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিস, গৃহস্থালি সাজসজ্জার অনুষঙ্গ থেকে গহনাও মিলছে এখানে।

বর্ষা মেলায় আরিয়ান জামদানি হাউজের স্বত্বাধিকারী শামসুল ইসলাম বলেন, আমাদের জামদানিগুলো নিজস্ব কারিগর দ্বারা তৈরি করা হয়ে থাকে। নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে আমাদের নিজস্ব কারখানা রয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের কাছে ৩ থেকে ১৫ হাজার টাকার শাড়ি রয়েছে। আজ মেলা শুরু হয়েছে, আশা করছি ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাবো।

যমযম ফুড প্রোডাক্টস স্টলে দেখা মেলে দেশীয় খাবারের সমাহার- নারকেল ভাজা, তিলের খাজা, ঘি, শনপাপড়ি, তিলের নাড়ু কিনতে ভিড় দেখা যায় ক্রেতাদের।

বাংলার টেরাকোটা স্টলে বিক্রি করছে হাতে তৈরি কাঠের গহনা। স্টলের কর্মী জানান, প্রতি জোড়া কাঠের চুড়ি ১০০ টাকা ও গহনা ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি কাঠের তৈরি গৃহসজ্জার সামগ্রীও বিক্রি করা হচ্ছে। 

এছাড়া হাতের তৈরি ব্যাগ, জুতা, শোপিস, ভেষজ খাবার, সুন্দরবনের মধু ইত্যাদিও পাওয়া যাচ্ছে বর্ষা মেলায়।

মেলায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থী মো. আল আমিন বলেন, এ ধরনের মেলা তো সচরাচর হয় না। দেশীয় সংস্কৃতির সবকিছু একসঙ্গে পাওয়াটা একটা সুন্দর বিষয়। এসে ভালোই লাগছে।

আরেক দর্শনার্থী কামরুজ্জামান বলেন, যেসব পণ্যগুলোর সঙ্গে আমরা অতটা পরিচিত ছিলাম না, সেসব এখানে এসে দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের মেলার আয়োজন একটি ভালো উদ্যোগ।

ওএফএ/আরএফ/জেডএস

বিজ্ঞাপন