বিজ্ঞাপন

নিম্নমানের কসমেটিকস-শিশুখাদ্য বিক্রি: আলমাস সুপার শপকে ৫ লাখ জরিমানা

নিম্নমানের কসমেটিকস-শিশুখাদ্য বিক্রি: আলমাস সুপার শপকে ৫ লাখ জরিমানা

নামিদামি ব্র্যান্ডের কসমেটিকস ও বিদেশি পণ্যের জন্য পরিচিত রাজধানীর পান্থপথের ‘আলমাস সুপার শপ’। তবে জমকালো এই শপের আড়ালেই বিক্রি হচ্ছিল অনুমোদনহীন এবং নিম্নমানের কসমেটিকস ও শিশুখাদ্য।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) পরিচালিত এক বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাতেনাতে ধরা পড়ে এই জালিয়াতি। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নামি এই প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে আজ এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে বিএসটিআই। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএসটিআই-এর বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবেকুন নাহার।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, সাধারণ মানুষের আস্থার সুযোগ নিয়ে আলমাস সুপার শপ কোনো ধরনের পরীক্ষণ ও বৈধ ছাড়পত্র ছাড়াই নিম্নমানের বিদেশি কসমেটিকস সামগ্রী বিক্রি করে আসছিল। শুধু কসমেটিকসই নয়, শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন চকলেট, ফ্লেভারড ড্রিংকস ও গুঁড়াদুধের মতো শিশুখাদ্যও সাজিয়ে রাখা হয়েছিল শপটির তাকে।

অনুমোদনহীন ও নিম্নমানের এসব ক্ষতিকর পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় আলমাস সুপার শপকে তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

এদিকে একই অভিযানে শপিং মলটির ‘সোফিয়াস বিউটি হাউস’ নামে একটি অনলাইনভিত্তিক কসমেটিকসের দোকানেও অভিযান করে বিএসটিআই। সেখানেও অনুমোদন ছাড়া নিম্নমানের কসমেটিকস বিক্রির দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। দুটি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে আজকের অভিযানে সর্বমোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান আরও জোরদার হবে জানিয়ে বিএসটিআই বলছে, নামি-দামি ব্র্যান্ডের আড়ালে ভোক্তাদের ঠকানোর এই অপচেষ্টা রুখতে দেশব্যাপী বাজার তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে চকচকে বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত না হয়ে কেনাকাটার সময় পণ্যের গায়ে বিএসটিআই-এর লোগো ও অনুমোদন দেখে নেওয়ার জন্য সাধারণ ক্রেতাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে সংস্থাটি।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিএসটিআই-এর পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. সাফায়েত হোসেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেন বিএসটিআই কর্মকর্তা আহসান হাবিব খান।

এসআই/এসএম