বিজ্ঞাপন

বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানে তিন দশক ইবিএল চেয়ারম্যানের, দিলেন অপপ্রচারের জবাব

বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানে তিন দশক ইবিএল চেয়ারম্যানের, দিলেন অপপ্রচারের জবাব

দেশের ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যের বিভিন্ন খাতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির (ইবিএল) চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরী। ব্যাংকিংয়ের বাইরে শিপ রিসাইক্লিং, লজিস্টিকস, রিয়েল এস্টেট, চা শিল্প, বীমাসহ একাধিক খাতে তার বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে। 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নিয়মিত কর পরিশোধ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রেখে আসছেন তিনি। সম্প্রতি তাকে ঘিরে ওঠা কিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এই ব্যবসায়ী।

এ বিষয় মো. শওকত আলী চৌধুরী বলেন, আমি সবসময় বিশ্বাস করি, ব্যবসায় সফলতার সবচেয়ে বড় ভিত্তি হলো সততা, স্বচ্ছতা এবং আইন মেনে চলা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ব্যাংকিং, শিল্প ও বাণিজ্যের বিভিন্ন খাতে যে কার্যক্রম পরিচালনা করছি, তার প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করেছি। দেশে ও বিদেশে আমার যেসব বৈধ ব্যবসায়িক কার্যক্রম রয়েছে, সেগুলোর প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য করও নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিয়মিত কর পরিশোধ করা একজন দায়িত্বশীল নাগরিক ও উদ্যোক্তা হিসেবে আমার দায়িত্ব। সম্প্রতি আমার ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে যেসব বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো আমি গভীরভাবে মর্মাহত। কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যের পরিবর্তে প্রকৃত সত্য ও যাচাই করা তথ্য প্রকাশের জন্য আমি আহ্বান জানাই।

শওকত আলী চৌধুরীর ব্যবসায়িক সহযোগীদের ভাষ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত কর পরিশোধ করে আসছেন এবং টানা ১১ বছর সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে সরকারের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাদের দাবি, সম্প্রতি একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

ব্যাংকিং খাতে শওকত আলী চৌধুরীর সম্পৃক্ততা তিন দশকেরও বেশি সময়ের। তিনি ইস্টার্ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এর একজন এবং ১৯৯৩ সাল থেকে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে ইবিএল-এর কর্পোরেট সুশাসন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক কৌশল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তার অধীনে ব্যাংক প্রযুক্তি নির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও কর্পোরেট গভর্ন্যান্স জোরদারে ভূমিকা রাখছে।

বহুমাত্রিক এই ব্যবসায়ী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সুশাসন ভিত্তিক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আমি সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও দেশের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এসআই/ডিএ

বিজ্ঞাপন