বাংলাদেশের সুনীল বা সমুদ্র অর্থনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন অংশীজন ও বিশেষজ্ঞরা। বিপুল এ সম্ভাবনা বাস্তবায়নে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি গবেষণা সংস্থা ও গবেষকদের পরামর্শ আবশ্যক বলেও মত দিয়েছেন তারা।
সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকার উত্তরায় সিমেক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির দোয়েল সেমিনার হলে ‘ব্লু ইকোনোমি থিংক ট্যাংক’ আয়োজিত এক নীতি-নির্ধারণী ও পরামর্শ সভায় বক্তারা বাংলাদেশের অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়নে সমুদ্র-অর্থনীতির গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজার সভাপতিত্বে “বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতি ব্যবস্থাপনায় জাতীয় অংশীজনদের পরামর্শ সভা” শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, সমুদ্র বিপুল সম্পদের আধার এবং এ সম্পদ আহরণ ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের সক্রিয় উদ্যোগ, জাতীয় রূপরেখা ও আইনি কাঠামো প্রণয়ন জরুরি।
এ ছাড়া, আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বিভাগ এবং জাতীয় অংশীজনদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। সমুদ্র অর্থনীতির ওপর বিশেষায়িত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং গবেষকদের বাংলাদেশের সুনীল অর্থনীতি-ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করারও পরামর্শ দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এবং সমুদ্র-অর্থনীতিকে জাতীয় আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার ওপর জোর দিয়ে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে সমুদ্র অর্থনীতিকে অগ্রাধিকারের বিকল্প নেই।
বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মহাপরিচালক (বিনিয়োগ প্রচার বিভাগ) জীবন কৃষ্ণ সাহা রায়, প্রাইম ব্যাংকের টেকসই অর্থায়ন বিভাগের উপ-প্রধান ফারিবা নাজ শাওলী, নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সেতু, সিমেক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ফোয়ারা ইয়াসমিন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. রতন কুমার রায়, পোর্ট সিটি ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মো. নুরুল আমিন, মাছরাঙা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি নুর-উন-নাহার উইলিসহ “অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস-২০২৪” এর অ্যালামনাই সদস্যরা, সরকারি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এএএম/এসএএস
