কানাডা থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১৯২ কোটি ৯ লাখ ৯১ হাজার ২০০ টাকা, যা কৃষি ভর্তুকি খাতের বাজেট থেকে বহন করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই সার কেনার অনুমোদ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কানাডার রাষ্ট্রীয় কমার্শিয়াল করপোরেশনের কাছ থেকে বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে ৪০ হাজার (প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ অতিরিক্ত) টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৯২ কোটি ৯ লাখ ৯১ হাজার ২০০ টাকা, যা কৃষি ভর্তুকি খাতের বাজেট থেকে বহন করা হবে।
জানা গেছে, বিএডিসির মাধ্যমে কানাডা থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় এমওপি সার আমদানির বিষয়টি এর আগে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে নীতিগত অনুমোদন পায়। পূর্ববর্তী চুক্তির কার্যক্রম শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা হয়। নবায়ন করা চুক্তিতে নির্ধারিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে এ চালানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি টন এমওপি সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৫৫ মার্কিন ডলার। এ হিসাবে ৪০ হাজার টন সারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪২ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৯২ কোটি ৯ লাখ ৯১ হাজার ২০০ টাকার সমপরিমাণ।
জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কানাডা থেকে ১০টি লটে মোট ৪ লাখ টন এমওপি সার আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যমান চুক্তির আওতায় আরও তিনটি ঐচ্ছিক লটের সার আমদানির সুযোগ অবশিষ্ট থাকায় চুক্তি সংশোধনের প্রথম দলিলে স্বাক্ষর করা হয়েছে।
এমএম/এসএম
