আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে ন্যূনতম ৫ শতাংশ কর ছাড় এবং সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা পাবেন ব্যক্তি শ্রেণির করদাতারা।
আর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে প্রণোদনা না মিললেও জরিমানা দিতে হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ের পরে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত কর গুনতে হবে।
রোববার (২ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এনবিআর জানায়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর নতুন বিধান অনুযায়ী ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি (ইন্ডিভিজুয়াল) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (এইচইউএফ) করদাতারা রিটার্নের সঙ্গে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ হারে কর প্রণোদনা পাবেন। তবে এই ছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা। ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।
তবে এরপর জরিমানা হিসেবে অতিরিক্ত কর দিতে হবে। যেমন ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে। আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা- এর মধ্যে যেটা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।
এনবিআর মতে, করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করতেই এ কর প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে সময়মতো রিটার্ন দাখিলের সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে। গত ২২ জুলাই থেকে ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের ই-রিটার্ন সেবা চালু হয়েছে। করদাতারা ই-ট্যাক্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঘরে বসেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ এবং রকেটের মাধ্যমে অনলাইনে কর পরিশোধের সুবিধাও রয়েছে।
অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া কোনো সমস্যা হলে সরকারি কর্মদিবসে এনবিআরের কল সেন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া যাবে।
আরএম/জেডএস
