ডেপুটি বা উপগভর্নর সরোয়ার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার কালোবাজারির হাতে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মানিচেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমসিএবি) সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কার্যালয়ে জরুরি মতবিনিময় সভায় তিনি এমন অভিযোগ করেন। এসময় সংগঠনের সভাপতি এম এস জামান, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে, কেন্দ্রীয় নেতারা এবং বিভিন্ন মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নিবেদিতা মানি এক্সচেঞ্জের এই কর্ণধার বলেন, লাইসেন্সধারী মানি চেঞ্জারদের ক্ষমতায়ন না করলে অসাধু ব্যবসায়ীদের ঠেকানো যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অবৈধ কালোবাজারি সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেনসহ কিছু কর্মকর্তা এতে জড়িত।
মাকসুদুর রহমান আরও বলেন, হয়তো এ কথা বলার পর আমার প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। কিন্তু তার পরও সত্যিটা বলতে চাই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই ডলার বাজারে কালোবাজারি তৈরি হয়।
এদিকে মতবিনিময় সভায় খোলা বাজারে ডলারের দর নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নতুন বিনিময় হার নির্ধারণ করেছে এমসিএবি। নতুন দর অনুযায়ী, মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় ক্রয় এবং ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করা হবে।
এসময় সংগঠনের সভাপতি এম এস জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকেই ডলারের এ দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর সংগঠনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের সব মানি চেঞ্জারকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ডলার বাজারে অস্থিরতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডলারের বাজারে অনৈতিক কারসাজির দায় মানি চেঞ্জারদের নয়, ব্যাংকগুলোর। মানি চেঞ্জার খাতের পরিধি অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় এ খাতে বাজার ম্যানিপুলেট করার সুযোগ নেই।
এমএমএইচ/এমটিআই
