ব্যবসায়ীদের যেকোনো আইনগত ও যৌক্তিক দাবিতে চট্টগ্রাম চেম্বার পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক। তিনি বলেছেন, খাদ্যের মান ও নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তবে জরিমানার নামে উদ্যোক্তাদের হয়রানি করা হলে তা প্রতিকারের জন্য আইনগতভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে সুইটস বেকারি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিরুল হক বলেন, আইন অনুযায়ী কোনো ত্রুটি থাকলে সংশোধনের জন্য জরিমানা করা হয়। কিন্তু জরিমানার নামে উদ্যোক্তাদের হয়রানি করা হলে ছোট ছোট উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি ঝুঁকিতে পড়বে।
তিনি বলেন, যারা রাস্তায় খাদ্য বিক্রি করেন এবং যত্রতত্র লাইভ বেকারি খুলে বসেছেন, তাদের ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। অথচ যারা উদ্যোক্তা হিসেবে লাইসেন্স নিয়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন, তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
চেম্বার সভাপতি ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইনকে যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসায়ীকে সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আইনটি সংশোধনের জন্য কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি ব্যবসা চালু করতে বিভিন্ন সংস্থা থেকে লাইসেন্স নিতে হয়। ব্যবসা সহজীকরণের জন্য সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এক পাতার লাইসেন্সের আওতায় আনার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম চেম্বার কাজ করছে।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালক মো. গোলাম সরওয়ার ও আসাদ ইফতেখার, সুইটস বেকারি অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ক আমান এ আলম, সচিব এম এ সবুর, বেকারি মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মামুন, রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নওশাদ, সুইটস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শহিদুল্লাহ কোরেশী ও সাধারণ সম্পাদক এম কফিল উদ্দিন, রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি আব্দুল মান্নান তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক মনজুর আলমসহ সংশ্লিষ্ট নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/বিআরইউ
