আমদানি-রপ্তানি পণ্যচালান পরীক্ষার নামে অযথা হয়রানি ও পণ্য খালাসে বিলম্ব না করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে অনলাইনে দাখিল করা নথি পুনরায় ম্যানুয়ালি জমা না নেওয়া এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাগজপত্র না চাওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
৩০ আগস্ট এ সংক্রান্ত ১৩ ধরনের নির্দেশনা দিয়ে দেশের সব কাস্টম হাউসের কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে বলে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এনবিআরের আইন ও বিধি অনুযায়ী যেসব নথি প্রয়োজন, এর বাইরে আমদানি-রপ্তানিকারকদের কাছ থেকে কোনো অতিরিক্ত নথি চাওয়া যাবে না। অনলাইনে যেসব নথি দাখিল করা হয়েছে, সেগুলো আবার ম্যানুয়ালি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া যেসব পণ্যচালান ঝুঁকিপূর্ণ নয় এবং এ বিষয়ে এনবিআরের আলাদা কোনো নির্দেশনা নেই, সেসব চালানের নথি অপ্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, শুল্ক ফাঁকির সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলে একই পণ্যচালান একাধিকবার সরেজমিনে পরীক্ষা করা যাবে না। পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে রাজস্ব ঝুঁকির ভিত্তিতে চালান বাছাই করতে হবে।
সরেজমিন পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য পণ্যচালান নির্বাচন করার নির্দেশও দিয়েছে এনবিআর। পাশাপাশি কাস্টমসের অ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় ধাপ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
একই পণ্যচালান যেন বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বারবার পরীক্ষা করতে না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্দরে পণ্যজট কমাতে নিলাম কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি রাজস্ব সুরক্ষায় কর্মকর্তাদের নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
আরএম/জেডএস
