হেয়ার কাট নীতি (মুনাফা কেটে রাখা) বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি, লেনদেন স্বাভাবিক করা এবং আমানতের অর্থ ফেরতের দাবিতে চট্টগ্রামে একীভূত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা বিক্ষোভ করেছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে নগরের লালদিঘি ও আন্দরকিল্লা এলাকায় অবস্থিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় হেয়ার কাট নীতি বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি, গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।
সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক ভুক্তভোগী আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সহসভাপতি শারমিন আক্তার বলেন, অর্থমন্ত্রী সংসদে হেয়ার কাট নীতি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা বাতিলের প্রজ্ঞাপন চাই।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আমানতকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের জমা অর্থ তুলতে পারছেন না। এফডিআরের মেয়াদ শেষ হলেও মুনাফা পাচ্ছেন না। হেয়ার কাট নীতির কারণে তাদের আমানত আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
একজন আমানতকারী বলেন, আমরা আমাদের কষ্টার্জিত অর্থের নিরাপত্তা চাই। হেয়ার কাট নীতি বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারকে স্পষ্ট ঘোষণা দিতে হবে যে, আমানতকারীদের কোনো ক্ষতি হবে না।
আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, হেয়ার কাট নীতি বাতিলের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি, আমানতের শতভাগ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, লেনদেন স্বাভাবিক করা এবং গ্রাহক হয়রানি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
উল্লেখ্য, সংকটে থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। এরপর ব্যাংকটির আর্থিক সংকট ও আমানত নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে হেয়ার কাট নীতির বিষয়টি সামনে এলে আমানতকারীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
আরএমএন/এমএসএ
