দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৫ এপ্রিল) বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। উভয় বাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট দাম কমার পাশাপাশি কমেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো মূল্যসূচক। এরমধ্যে ডিএসইর প্রধান মূলসূচক একদিনেই ২ শতাংশের বেশি কমেছে। এদিন ডিএসইর লেনদেনের পরিমাণও কার্যদিবসের ব্যবধানে ১০০ কোটি টাকার বেশি কমেছে।
বিজ্ঞাপন
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রোববার দিনের শুরু থেকেই ডিএসইতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম কমার তালিকায় নাম লেখায়। এই ধারা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিলো। দিনশেষে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২৫টির, কমেছে ৩৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি সিকিউরিটিজের দাম।
অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স একদিনেই ১০৭ পয়েন্ট বা ২ শতাংশের বেশি কমে ৫ হাজার ১১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএসও প্রায় ২ শতাংশ বা ১৮ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৪১ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক ৩৫ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ কমে এক হাজার ৯৪৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
আজ ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫১২ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে (বৃহস্পতিবার) হয়েছিলো ৬২৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ দিনের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে ১১৪ কোটি টাকা।
বিজ্ঞাপন
এদিকে আজ সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ২২৮ পয়েন্ট বা প্রায় ২ শতাংশ কমে ১৪ হাজার ৪৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর এক্সচেঞ্জটির প্রধান মূল্যসূচক সিএসসিএক্স দেড় শতাংশ বা ১২৮ পয়েন্ট কমে ৮ হাজার ৮৫৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
দিন শেষে সিএসইতে মোট ১৯০ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩৩টির, কমেছে ১৪৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির। আজ সিএসইতে লেনদেন মোট ৪৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ৯ কোটি ৭ লাখ টাকার তুলনায় অনেক কম।
এমএমএইচ/জেডএস
