বিজ্ঞাপন

চেয়ারম্যানের পর বিএসইসি থেকে ৪ কমিশনারের পদত্যাগ

চেয়ারম্যানের পর বিএসইসি থেকে ৪ কমিশনারের পদত্যাগ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পর এবার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির চার কমিশনারও পদত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

পদত্যাগ করা চার কমিশনার হলেন, মহসীন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ এবং মো. সাইফুদ্দিন। 

চেয়ারম্যানের পদত্যাগের পাশাপাশি কমিশনের চার সদস্যের একযোগে পদত্যাগের ঘটনায় দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। 

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর এ বিষয়ে পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নেওয়া হবে এবং খুব দ্রুতই নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হবে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২ জুন) এক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজারকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) সম্পূর্ণ পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আপনারা এটি দেখতে পারবেন। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে আমরা সম্পূর্ণরুপে নতুনভাবে সাজাচ্ছি। এখানে পুরোপুরি প্রফেশনাল লোকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক অংশগ্রহণ রাখা হয়নি। এমনকি কোনো রাজনৈতিকের সুপারিশও নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, যারা ক্যাপিটাল মার্কেট বুঝেন, মার্কেট সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন লোকদের বাছাই করা হয়েছে। চারজন কমিশনার ও একজন চেয়ারম্যান চূড়ান্ত করা হয়েছে। শেয়ারবাজারের আইন-কানুনও অনেকগুলো পরিবর্তন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো বলেন, শেয়ারবাজারে আমাদের সংস্কার কার্যক্রম দেখে অনেক কোম্পানি এরইমধ্যে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহ হচ্ছে। তারা আর ক্যাসিনোতে লিস্টেট হবে না। স্টক এক্সচেঞ্জে লিস্টেট হবে। এতে ব্যাংকগুলোর ওপর থেকে চাপ কমে আসবে। কোম্পানিগুলোও ব্যাংকে না গিয়ে বন্ড ইস্যু করবে, ইকুইটি ইস্যু করবে।

তিনি বলেন, লুটপাটের কারণে এখন ব্যাংকগুলো আন্ডার ক্যাপিটালাইজ (মূলধন সংকটে)। প্রাইভেট কোম্পানিগুলোও আন্ডার ক্যাপিটালাইজড। ব্যাংকগুলোকে আমরা কীভাবে মূলধন সাপোর্ট দেবো এবং প্রাইভেট সেক্টরকে কীভাবে মূলধনের যোগান দেওয়া যায় সেটা নিয়ে কাজ করছি। ফান্ড ম্যানেজারদের সঙ্গে আমরা বসেছি। আরও আলোচনা করে সমাধান খোঁজা হবে। আমরা চাই শেয়ারবাজার থেকে মূলধনের যোগান দিতে।

এমএমএইচ/এমএসএ  

বিজ্ঞাপন