বিজ্ঞাপন

ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোতে বিপরীতমুখী হল্টেড

ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোতে বিপরীতমুখী হল্টেড

শেয়ারবাজারে বহুল আলোচিত দুই কোম্পানি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে সম্প্রতি ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কোম্পানি দুটির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর পুরো বাজার পরিস্থিতি একদিকে হাঁটলেও এই দুই শেয়ারের মুভমেন্ট ছিলো ভিন্ন। অবশ্য আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে একটি কোম্পানি ফ্লোর প্রত্যাহারের ধাক্কা সামলে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে উঠে এসেছে। বিপরীতে অন্যটি ফ্লোর প্রত্যাহার পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহে পরিণত হয়েছে।

গত সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার কোম্পানি দুটির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শেয়ারবাজারের সব কোম্পানি ফ্লোর প্রাইস মুক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দিন থেকে কোম্পানি দুটির শেয়ারে প্রচুর বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতার সংকট দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবার অবশ্য ইসলামী ব্যাংকে ক্রেতা-বিক্রেতার সমান তালে উপস্থিতি দেখা গেছে।

রোববার (আজ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা গেছে, বেক্সিমকোর শেয়ারে প্রচুর বিক্রয় আদেশ থাকলেও ক্রেতা একেবারেই নেই। আর ইসলামী ব্যাংকে প্রচুর ক্রয় আদেশ থাকলেও বিক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে দুটি শেয়ারই সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমায় (১০ শতাংশ হারে) উত্থান ও পতন হয়েছে। বেক্সিমকোর শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বা ৮ টাকা কমে ৭২ টাকা ৩০ পয়সায় অবস্থান নিয়েছে। আর ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বা ২ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে ৩২ টাকায় অবস্থান নিয়েছে।

হল্টেড (বায়ারলেস অথবা সেলারলেস) হওয়ার পূর্বে অবশ্য কোম্পানি দুটির শেয়ারে কিছু পরিমাণ লেনদেন হয়েছে। বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে ৫৭ বারে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ইসলামী ব্যাংকে ৩৯০ বারে ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।  

এমএমএইচ/বিআরইউ